পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি বিক্রি হলো ৬০ কোটি টাকায়!
ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে পরা ঐতিহাসিক ১০ নম্বর জার্সিটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৮০ হাজার ডলারে (প্রায় ৬০ কোটি ১৪ লাখ টাকা)। নিউইয়র্কে সাদেবিস আয়োজিত নিলামে বিক্রি হওয়া এই জার্সিই এখন পেলে-সম্পর্কিত সবচেয়ে দামী স্মারক। মাত্র ১৭ বছর বয়সে সুইডেনের বিপক্ষে ওই ফাইনালে জোড়া গোল করেছিলেন পেলে। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ব্রাজিল ৫-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। সেই ম্যাচই বিশ্ব ফুটবলে ‘ও রেই’ বা ‘রাজা’ পেলের উত্থানের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়। নিলামের আগে জার্সিটির সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ৬০ লাখ ডলার। যদিও শেষ পর্যন্ত তার চেয়ে কিছুটা কম দামে বিক্রি করতে হয়েছে, তবুও এটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম মূল্যবান জার্সিতে পরিণত হয়েছে। সাদেবিসের গ্লোবাল হেড অব স্পোর্টস ব্রেন্ডান হকস বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফাইনালের ঠিক আগে এই জার্সিকে ঘিরে এমন আগ্রহ দেখা সত্যিই যথার্থ। এটি শুধু ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের স্মারক নয়, বরং সেই মুহূর্তেরও প্রতীক, যেদিন পেলে বিশ্ব ক্রীড়ার আইকনে পরিণত হন।’ জার্সিটির ইতিহাসও বেশ আকর্ষণীয়। ফাইনালের পর এটি নিজ
ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে পরা ঐতিহাসিক ১০ নম্বর জার্সিটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৮০ হাজার ডলারে (প্রায় ৬০ কোটি ১৪ লাখ টাকা)। নিউইয়র্কে সাদেবিস আয়োজিত নিলামে বিক্রি হওয়া এই জার্সিই এখন পেলে-সম্পর্কিত সবচেয়ে দামী স্মারক।
মাত্র ১৭ বছর বয়সে সুইডেনের বিপক্ষে ওই ফাইনালে জোড়া গোল করেছিলেন পেলে। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ব্রাজিল ৫-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে। সেই ম্যাচই বিশ্ব ফুটবলে ‘ও রেই’ বা ‘রাজা’ পেলের উত্থানের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
নিলামের আগে জার্সিটির সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ৬০ লাখ ডলার। যদিও শেষ পর্যন্ত তার চেয়ে কিছুটা কম দামে বিক্রি করতে হয়েছে, তবুও এটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম মূল্যবান জার্সিতে পরিণত হয়েছে।
সাদেবিসের গ্লোবাল হেড অব স্পোর্টস ব্রেন্ডান হকস বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফাইনালের ঠিক আগে এই জার্সিকে ঘিরে এমন আগ্রহ দেখা সত্যিই যথার্থ। এটি শুধু ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের স্মারক নয়, বরং সেই মুহূর্তেরও প্রতীক, যেদিন পেলে বিশ্ব ক্রীড়ার আইকনে পরিণত হন।’
জার্সিটির ইতিহাসও বেশ আকর্ষণীয়। ফাইনালের পর এটি নিজের সতীর্থ দিদাকে উপহার দিয়েছিলেন পেলে। পরে দিদা সেটি ব্রাজিলের একটি ক্রীড়া জাদুঘরে দান করেন। ২০০৪ সালে জাদুঘরটি মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার ৬০০ ডলারে জার্সিটি বিক্রি করেছিল। দুই দশকের ব্যবধানে সেই জার্সির মূল্য বেড়েছে প্রায় ৪৬ গুণ।
তবে এটি সর্বকালের সবচেয়ে দামী ফুটবল জার্সি নয়। সেই রেকর্ড এখনও আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে 'হাত দিয়ে করা গোল’ ম্যাচে পরা জার্সির দখলে। সেটি ২০২২ সালে ৯৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল।
টিটিটি/আইএইচএস/
What's Your Reaction?