প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

‘শারীরিক প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ি, দেশ ও জাতির অগ্রগতি নিশ্চিত করি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ একটি সামাজিক সচেতনতামূলক আলোচনা ও মতামত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে সুবর্ণ নাগরিক ফাউন্ডেশন, যেখানে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত ছিল বাংলাদেশ সোসাইটি অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন (বিএসপিএমআর)। সভায় অধ্যাপক ডা. মনিরুল ইসলাম, সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, নিটোর (NITOR), বিএসপিএমআর-এর কার্যক্রম, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আলোচনায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সিভিল সোসাইটি ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতে সরকারি কোটা, বিশেষায়িত জব ফেয়ার, ডিজিটাল নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তবে এসব উদ্যোগকে টেকসই ও কার্যকর করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, নীতিগত সমন্বয় এবং বহুমুখী অংশীজনের সক্রিয় সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। বক্তারা আরও বলেন, নীতি প্রণয়ন, কর্মপরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ায় প্র

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

‘শারীরিক প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ি, দেশ ও জাতির অগ্রগতি নিশ্চিত করি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ একটি সামাজিক সচেতনতামূলক আলোচনা ও মতামত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে সুবর্ণ নাগরিক ফাউন্ডেশন, যেখানে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত ছিল বাংলাদেশ সোসাইটি অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন (বিএসপিএমআর)।

সভায় অধ্যাপক ডা. মনিরুল ইসলাম, সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, নিটোর (NITOR), বিএসপিএমআর-এর কার্যক্রম, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

আলোচনায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সিভিল সোসাইটি ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতে সরকারি কোটা, বিশেষায়িত জব ফেয়ার, ডিজিটাল নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তবে এসব উদ্যোগকে টেকসই ও কার্যকর করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, নীতিগত সমন্বয় এবং বহুমুখী অংশীজনের সক্রিয় সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।

বক্তারা আরও বলেন, নীতি প্রণয়ন, কর্মপরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং তাদের প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। এতে অন্তর্ভুক্তিমূলক শ্রমবাজার গড়ে উঠবে এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সমাজে অবদান রাখতে পারবেন।

শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী কমিউনিটির ক্ষমতায়ন সম্ভব। সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য স্বাবলম্বী, মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ জীবনযাপনের পরিবেশ নিশ্চিত করা যাবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুবর্ণ নাগরিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আসিফ ইকবাল চৌধুরী। তিনি বলেন, সুবর্ণ নাগরিক ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবন্ধী শিশু, নারী ও পুরুষদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে অব্যাহত থাকবে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow