প্রথম প্রশাসনিক ভবন ‘বড়কুঠি’ ফিরে পাচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রথম প্রশাসনিক ভবন ঐতিহাসিক ‘বড়কুঠি’ বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে। এটাকে ‌‘জন্মস্থান’ উল্লেখ করে উপাচার্যের আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। সোমবার (৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে এক আলোচনা সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন। বড়কুঠিকে ফিরিয়ে দেওয়ার পূর্ণ আশ্বাস দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘উপাচার্য বড়কুঠি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে বলেছেন। আমি আশা করছি, খুব শিগগির বড়কুঠি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় বড়কুঠি বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্পণ করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। তখন এটি উপাচার্যের বাসভবন ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হতো। পরে এটি টিচার্স ক্লাব ও কর্মচারী ইউনিয়নের অফিসে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু বড়কুঠি এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে। প্রাচীন এ স্থাপনাটি ফিরে পেতে চান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এজন্য সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা। এসআর/এএসএম

প্রথম প্রশাসনিক ভবন ‘বড়কুঠি’ ফিরে পাচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রথম প্রশাসনিক ভবন ঐতিহাসিক ‘বড়কুঠি’ বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে। এটাকে ‌‘জন্মস্থান’ উল্লেখ করে উপাচার্যের আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।

সোমবার (৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে এক আলোচনা সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন।

বড়কুঠিকে ফিরিয়ে দেওয়ার পূর্ণ আশ্বাস দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘উপাচার্য বড়কুঠি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে বলেছেন। আমি আশা করছি, খুব শিগগির বড়কুঠি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় বড়কুঠি বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্পণ করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। তখন এটি উপাচার্যের বাসভবন ও কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হতো। পরে এটি টিচার্স ক্লাব ও কর্মচারী ইউনিয়নের অফিসে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু বড়কুঠি এখন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে।

প্রাচীন এ স্থাপনাটি ফিরে পেতে চান বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এজন্য সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow