প্রথম প্রেম নিয়ে যা বললেন তানজিকা আমিন
দেশের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিকা আমিন। অভিনয়গুণে জয় করেছেন বহু দর্শকের হৃদয়, ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থেকেও ব্যক্তিজীবনের চারপাশ জুড়ে সবসময়ই বজায় রেখেছেন রহস্যের এক নিরেট দেয়াল। তবে এবার আর লুকোচুতি নয়, দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে নিজের প্রথম প্রেম আর সম্পর্কের অলিগলি নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তিতে ধরা দিলেন এই সুন্দরী। পর্দার চিরচেনা সেই হাসি আর গ্ল্যামারের পেছনে লুকিয়ে থাকা একরাশ আবেগ আর স্মৃতির ঝাঁপি খুলে যেন সবাইকে চমকে দিলেন এই তারকা। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে প্রথম প্রেম নিয়ে তানজিকা বলেন, ‘আমার জীবনে প্রেমের সংখ্যা কম, কিন্তু স্থায়িত্ব বেশি। প্রতিটি প্রেমের ব্যাপ্তিকাল ছিল দীর্ঘ।‘ অভিনেত্রী আরও জানান, তার প্রথম প্রেম শুরু হয়েছিল রাজশাহীতে, যখন তিনি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ‘অমিত’ নামের সেই তরুণের সঙ্গে টানা চার বছর প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন তিনি। সেই দিনগুলোর কথা মনে করে অভিনেত্রী জানান, ল্যান্ডফোনের সেই যুগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলা আর লম্বাচওড়া চিঠি লিখেই চলত তাদের প্রেম। অতীতের খুনসুটি নিয়ে তানজিকা বলেন, ‘বাসা থেকে তখন পড়ালেখার জন্য টিউটরের টাকা দেওয়া হতো। কিন্তু আমরা সেই টা
দেশের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিকা আমিন। অভিনয়গুণে জয় করেছেন বহু দর্শকের হৃদয়, ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থেকেও ব্যক্তিজীবনের চারপাশ জুড়ে সবসময়ই বজায় রেখেছেন রহস্যের এক নিরেট দেয়াল। তবে এবার আর লুকোচুতি নয়, দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে নিজের প্রথম প্রেম আর সম্পর্কের অলিগলি নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তিতে ধরা দিলেন এই সুন্দরী। পর্দার চিরচেনা সেই হাসি আর গ্ল্যামারের পেছনে লুকিয়ে থাকা একরাশ আবেগ আর স্মৃতির ঝাঁপি খুলে যেন সবাইকে চমকে দিলেন এই তারকা।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে প্রথম প্রেম নিয়ে তানজিকা বলেন, ‘আমার জীবনে প্রেমের সংখ্যা কম, কিন্তু স্থায়িত্ব বেশি। প্রতিটি প্রেমের ব্যাপ্তিকাল ছিল দীর্ঘ।‘
অভিনেত্রী আরও জানান, তার প্রথম প্রেম শুরু হয়েছিল রাজশাহীতে, যখন তিনি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ‘অমিত’ নামের সেই তরুণের সঙ্গে টানা চার বছর প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন তিনি। সেই দিনগুলোর কথা মনে করে অভিনেত্রী জানান, ল্যান্ডফোনের সেই যুগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলা আর লম্বাচওড়া চিঠি লিখেই চলত তাদের প্রেম।
অতীতের খুনসুটি নিয়ে তানজিকা বলেন, ‘বাসা থেকে তখন পড়ালেখার জন্য টিউটরের টাকা দেওয়া হতো। কিন্তু আমরা সেই টাকা বাঁচিয়ে একে অপরকে উপহার দিতাম। এমনকি রেস্টুরেন্টে গিয়ে মাত্র ২০ টাকার বাজেটে কোক আর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেয়েই আমরা খুশি থাকতাম।
এদিকে ফোনে বেশি কথা বলার কারণে গুনতে হয়েছে বড় অংকের বিল, আর সেজন্য মায়ের কাছে প্রচুর মারও খেয়েছেন তিনি। স্কুল ও কোচিং ফাঁকি দিয়ে পদ্মার পাড়ে ঘুরতে যাওয়ার স্মৃতিগুলো আজও তাকে আপ্লুত করে।
এছাড়া মজার ছলে অভিনেত্রী আরও জানান, তার প্রথম প্রেমিক নাকি এখনও অবিবাহিত।
সব মিলিয়ে, তানজিকা আমিনের এই স্মৃতিচারণ শুধু তার ব্যক্তিগত জীবনের এক ঝলকই নয়, বরং পুরোনো দিনের সরল প্রেমের এক আবেগঘন প্রতিচ্ছবি।
What's Your Reaction?