প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি আনল ফেরারি, দাম কত
ইতালিয়ান বিলাসবহুল স্পোর্টস কার নির্মাতা ফেরারি তাদের প্রথম সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ি উন্মোচন করেছে। সোমবার উন্মোচন করা চার দরজার নতুন গাড়িটির নাম রাখা হয়েছে ‘লুস’, যার অর্থ ইতালীয় ভাষায় ‘আলো’। সিএনএনের খবরে বলা হয়, এই গাড়িতে রয়েছে আরামদায়ক আসন, আধুনিক প্রযুক্তি সুবিধা এবং ৬০০ লিটারের বড় বুট স্পেস। ৫ লাখ ৫০ হাজার ইউরো বা প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ কোটি ৮৬ লাখ) মূল্যের গাড়িটির ডেলিভারি ২০২৬ সালের শেষ দিকে আরম্ভ হওয়ার কথা রয়েছে। ধনী পরিবারগুলোকে লক্ষ্য করেই এই লুস নামক গাড়িটি তৈরি করেছে ফেরারি। অ্যাপলের সাবেক ডিজাইন প্রধান জনি ইভ এবং তার ডিজাইন প্রতিষ্ঠান লাভফ্রম-এর সহায়তায় গাড়িটি তৈরি করা হয়েছে। এটি ফেরারির প্রথম পাঁচ আসনের গাড়ি। রোমে দুই শতাধিক সাংবাদিকের সামনে ফেরারির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেনেদেত্তো ভিনিয়া বলেন, ‘এটি পাঁচ বছরের পরিশ্রমের ফল।’ লুচে মডেলে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা বৈদ্যুতিক মোটরের স্বাভাবিক কম্পনের শব্দকে আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করবে, যাতে ঐতিহ্যবাহী ফেরারির ইঞ্জিনের অনুভূতি কিছুটা বজায় থাকে। ফেরারি মনে করছে, প্রযুক্তি ও কৃত্র
ইতালিয়ান বিলাসবহুল স্পোর্টস কার নির্মাতা ফেরারি তাদের প্রথম সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক গাড়ি উন্মোচন করেছে। সোমবার উন্মোচন করা চার দরজার নতুন গাড়িটির নাম রাখা হয়েছে ‘লুস’, যার অর্থ ইতালীয় ভাষায় ‘আলো’।
সিএনএনের খবরে বলা হয়, এই গাড়িতে রয়েছে আরামদায়ক আসন, আধুনিক প্রযুক্তি সুবিধা এবং ৬০০ লিটারের বড় বুট স্পেস। ৫ লাখ ৫০ হাজার ইউরো বা প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ কোটি ৮৬ লাখ) মূল্যের গাড়িটির ডেলিভারি ২০২৬ সালের শেষ দিকে আরম্ভ হওয়ার কথা রয়েছে।
ধনী পরিবারগুলোকে লক্ষ্য করেই এই লুস নামক গাড়িটি তৈরি করেছে ফেরারি। অ্যাপলের সাবেক ডিজাইন প্রধান জনি ইভ এবং তার ডিজাইন প্রতিষ্ঠান লাভফ্রম-এর সহায়তায় গাড়িটি তৈরি করা হয়েছে। এটি ফেরারির প্রথম পাঁচ আসনের গাড়ি।
রোমে দুই শতাধিক সাংবাদিকের সামনে ফেরারির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেনেদেত্তো ভিনিয়া বলেন, ‘এটি পাঁচ বছরের পরিশ্রমের ফল।’
লুচে মডেলে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা বৈদ্যুতিক মোটরের স্বাভাবিক কম্পনের শব্দকে আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করবে, যাতে ঐতিহ্যবাহী ফেরারির ইঞ্জিনের অনুভূতি কিছুটা বজায় থাকে।
ফেরারি মনে করছে, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন প্রজন্ম উচ্চপ্রযুক্তির বিলাসবহুল ইভির দিকে ঝুঁকবে।
কোম্পানিটি আশা করছে, এর মাধ্যমে চীনের মতো বাজারেও তারা আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে। কারণ, সেখানে পেট্রোলচালিত গাড়ির ওপর উচ্চ কর আরোপ করায় বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার ইতোমধ্যে ব্যাপক আকারে বেড়েছে।
ফেরারির প্রধান বিপণন ও বাণিজ্য কর্মকর্তা এনরিকো গালিয়েরা বলেন, ‘আমাদের অনেক গ্রাহক আছেন, যারা জীবনের ভিন্ন ভিন্ন মুহূর্তে ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা কিছু খুঁজছেন। আর সেসব গ্রাহকদের জন্য গাড়িটি সত্যিই অসাধারণ।
লুসেতে প্রতিটি চাকার জন্য একটি করে মোট চারটি বৈদ্যুতিক মোটর ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে গাড়িটি ১ হাজারের বেশি হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম। গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩১০ কিলোমিটারের বেশি এবং ওজন ২ দশমিক ২ টনের বেশি। একবার চার্জে লুচে ৫০০ কিলোমিটারের বেশি পথ চলতে পারবে।
উদ্বাধনী অনুষ্ঠানে পাঁচটি লুচে প্রদর্শন করা হয়। গাড়িগুলোর রং ছিল ফেরারির ঐতিহ্যবাহী লাল থেকে শুরু করে সাদা ও হালকা নীল। ডিজাইনের দিক থেকেও এটি ফেরারির প্রচলিত স্পোর্টি স্টাইল থেকে কিছুটা ভিন্ন।
গাড়িটির ভেতরে চামড়া, কাচ ও অ্যানোডাইজড অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহারের মাধ্যমে রাখা হয়েছে ফেরারির ঐতিহ্যবাহী বিলাসিতার ছাপ। এছাড়া পুরোপুরি টাচস্ক্রিননির্ভর ডিজাইনের বদলে এতে বেশ কয়েকটি ফিজিক্যাল কন্ট্রোলও রাখা হয়েছে, যা টেসলা ও কিছু চীনা ইভি নির্মাতার ডিজাইনধারা থেকে আলাদা।
তবে চাহিদা কম থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী পোরশে ও ল্যাম্বারগিনি যখন বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা কমাচ্ছে, তখন ফেরারির এই পদক্ষেপকে বড় ধরনের ঝুঁকি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
What's Your Reaction?