প্রথম স্ত্রীকে হত্যার পর দ্বিতীয় স্ত্রীসহ স্বামী গ্রেফতার

নোয়াখালীর হাতিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি স্বামী মো. মিলন (৪০) এবং তার সহযোগী ও দ্বিতীয় স্ত্রী সাহেদা আক্তার লাইজুকে (৩০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। হত্যার ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম নগর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর এলাকার আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের ছোটপুল এলাকা থেকে মিলনকে এবং পরে একই এলাকার বড়পুল মোড় বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়ে লাইজুকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১১ এর যৌথ আভিযানিক দল। র‍্যাব জানায়, নিহত তাজনাহার বেগম (৩৫) হাতিয়ার আল আমিন গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রায় ১৫ বছর আগে মিলনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাজনাহারকে মারধর ও নির্যাতন করতেন মিলন। গত ১২ মার্চ ভোরে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘরের ভেতরে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহত নারীর ভাই বাদী হয়ে ১৩ মার্চ হাতিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় পাঁচজনকে এজাহারভুক্ত এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা

প্রথম স্ত্রীকে হত্যার পর দ্বিতীয় স্ত্রীসহ স্বামী গ্রেফতার

নোয়াখালীর হাতিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি স্বামী মো. মিলন (৪০) এবং তার সহযোগী ও দ্বিতীয় স্ত্রী সাহেদা আক্তার লাইজুকে (৩০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। হত্যার ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম নগর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর এলাকার আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের ছোটপুল এলাকা থেকে মিলনকে এবং পরে একই এলাকার বড়পুল মোড় বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়ে লাইজুকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১১ এর যৌথ আভিযানিক দল।

র‍্যাব জানায়, নিহত তাজনাহার বেগম (৩৫) হাতিয়ার আল আমিন গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রায় ১৫ বছর আগে মিলনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাজনাহারকে মারধর ও নির্যাতন করতেন মিলন। গত ১২ মার্চ ভোরে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘরের ভেতরে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত নারীর ভাই বাদী হয়ে ১৩ মার্চ হাতিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় পাঁচজনকে এজাহারভুক্ত এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

র‍্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেফতার দুজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এমআরএএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow