প্রথমার্ধে সমতা, টিকে থাকার লড়াইয়ে কানাডা-দক্ষিণ আফ্রিকা
ম্যাচের প্রথম ডিহাইড্রেশন ব্রেকের আগপর্যন্ত ৬৫ শতাংশ বল দখলে রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে আক্রমণভাগে বেশি সক্রিয় দেখা গেছে কানাডাকে। এরই মধ্যে তিনটি শট নিয়েছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকেরা। তবে গোল পায়নি কোনো দলই। এর মধ্যে ২২তম মিনিটে ডেরেক কর্নেলিউস খুব কাছ থেকে হেড নিলে সেটি সোজাসুজি দক্ষিণ আফ্রিকা গোলকিপার রনওয়েন উইলিয়ামসের হাতে যায়।
এভাবে চলতে থাকে লড়াই। সমানে সমালে লড়ে সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। এরপর ৬৫তম মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বাঁচিয়েছেন গোলকিপার উইলিয়ামস। জোনাথন ডেভিডের শট পা বাড়িয়ে রুখে দিয়েছেন তিনি। তবে এরপরও গোল হতে পারত। এ যাত্রায় ঠেকান এমবোকাজি।
এরও আগে ৪৪তম মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিল কানাডা। ময়জে বোমবিতোর হেডে বল যাচ্ছিল জালে, দক্ষিণ আফ্রিকা গোলকিপার ছিলেন লাইনের বাইরে। তবে লাইনের ভেতরে দাঁড়িয়ে দলকে বাঁচিয়েছেন অব্রে মদিবা।
বর্তমানে আক্রমণভাগে বেশি সক্রিয় কানাডা। অপরপক্ষে গোলকিপার উইলিয়ামস আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
ম্যাচের প্রথম ডিহাইড্রেশন ব্রেকের আগপর্যন্ত ৬৫ শতাংশ বল দখলে রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে আক্রমণভাগে বেশি সক্রিয় দেখা গেছে কানাডাকে। এরই মধ্যে তিনটি শট নিয়েছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকেরা। তবে গোল পায়নি কোনো দলই। এর মধ্যে ২২তম মিনিটে ডেরেক কর্নেলিউস খুব কাছ থেকে হেড নিলে সেটি সোজাসুজি দক্ষিণ আফ্রিকা গোলকিপার রনওয়েন উইলিয়ামসের হাতে যায়।
এভাবে চলতে থাকে লড়াই। সমানে সমালে লড়ে সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। এরপর ৬৫তম মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বাঁচিয়েছেন গোলকিপার উইলিয়ামস। জোনাথন ডেভিডের শট পা বাড়িয়ে রুখে দিয়েছেন তিনি। তবে এরপরও গোল হতে পারত। এ যাত্রায় ঠেকান এমবোকাজি।
এরও আগে ৪৪তম মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিল কানাডা। ময়জে বোমবিতোর হেডে বল যাচ্ছিল জালে, দক্ষিণ আফ্রিকা গোলকিপার ছিলেন লাইনের বাইরে। তবে লাইনের ভেতরে দাঁড়িয়ে দলকে বাঁচিয়েছেন অব্রে মদিবা।
বর্তমানে আক্রমণভাগে বেশি সক্রিয় কানাডা। অপরপক্ষে গোলকিপার উইলিয়ামস আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।