প্রধান আসামি নিজেই আদালতে গেলেন একই মামলার অন্য আসামিকে ছিনিয়ে নিতে
ঢাকার আদালতে নেওয়া হয়েছিল প্রতারণা মামলার এক আসামিকে। পরে কারাগারে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশ হেফাজতে থাকা ওই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন কয়েকজন। তারা পুলিশের ওপর হামলা চালান। এতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- সোহাগ খান (৩৬) ও নাজমুল হাসান (১৯)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে সোহাগ খান ওই প্রতারণা মামলাটির এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি। রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক কামাল উদ্দীন দুজনকে গ্রেফতারের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল শনিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশ হেফাজতে থাকা এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে পুলিশ। আরও পড়ুন ‘মব’ সৃষ্টি করে আসামি ছিনতাই, সোহাগসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে
ঢাকার আদালতে নেওয়া হয়েছিল প্রতারণা মামলার এক আসামিকে। পরে কারাগারে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশ হেফাজতে থাকা ওই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন কয়েকজন। তারা পুলিশের ওপর হামলা চালান। এতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হন।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- সোহাগ খান (৩৬) ও নাজমুল হাসান (১৯)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে সোহাগ খান ওই প্রতারণা মামলাটির এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক কামাল উদ্দীন দুজনকে গ্রেফতারের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল শনিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশ হেফাজতে থাকা এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে পুলিশ।
এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে কোতোয়ালী থানায় মামলা করা হয়। এ মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাভার মডেল থানার একটি প্রতারণা মামলার আসামি মো. ইউসুফকে (৩৮) আদালতের কার্যক্রম শেষে কারাগারে পাঠানোর জন্য প্রিজনভ্যানে তোলার প্রস্তুতি চলছিল। এসময় কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশ হেফাজত থেকে তাকে জোর করে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে সেখানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এসময় হামলায় এএসআই হানিফ মাহমুদ ও কনস্টেবল তোফায়েল আহম্মেদ আহত হন এবং পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের অভিযোগ, হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের মারধর ও কিল-ঘুষি দেন। এসময় এক পুলিশ সদস্যের পরনের শার্ট ছিঁড়ে যায়, এতে প্রায় দুই হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, সোহাগ খান ওই প্রতারণা মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি। আর নাজমুল হাসান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পালিয়ে যাওয়া অন্যদের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। তবে ঘটনার সময় আরও কয়েকজন পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানার ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে গ্রেফতার দুজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে কোতোয়ালী থানায় মামলাটি করেন।
এমডিএএ/এমকেআর
What's Your Reaction?

