প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের টিন বিক্রির অভিযোগ
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষের ঢেউটিন নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের সিংড়িয়া বনচুকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধীর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ চলাকালে শিক্ষার্থীদের পাঠদান অব্যাহত রাখতে ঢেউটিনের বেড়া ও ছাউনি দিয়ে অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হয়। নতুন ভবনের কাজ শেষ হওয়ার পর ওই অস্থায়ী টিনশেড কক্ষগুলো ভেঙে ফেলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিধি অনুসরণ না করে এবং কোনো ধরনের নিলাম প্রক্রিয়া ছাড়াই অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষের টিন গোপনে বিক্রি করে দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধীর চন্দ্র রায়।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সরকারি সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে শিক্ষা বিভাগকে অবহিত করা এবং নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক হলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সুধীর চন্দ্র রায়ের বক্তব্য নিতে বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার বাসায় যোগাযোগে
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষের ঢেউটিন নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের সিংড়িয়া বনচুকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধীর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ চলাকালে শিক্ষার্থীদের পাঠদান অব্যাহত রাখতে ঢেউটিনের বেড়া ও ছাউনি দিয়ে অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হয়। নতুন ভবনের কাজ শেষ হওয়ার পর ওই অস্থায়ী টিনশেড কক্ষগুলো ভেঙে ফেলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিধি অনুসরণ না করে এবং কোনো ধরনের নিলাম প্রক্রিয়া ছাড়াই অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষের টিন গোপনে বিক্রি করে দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধীর চন্দ্র রায়।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সরকারি সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে শিক্ষা বিভাগকে অবহিত করা এবং নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক হলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সুধীর চন্দ্র রায়ের বক্তব্য নিতে বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার বাসায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংবাদকর্মীর উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি সরে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মো. তারিকুজ্জামান বলেন, ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়টিতে অস্থায়ী টিনশেড নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে টিন বিক্রি বা নিলাম সংক্রান্ত কোনো তথ্য আমার কাছে নেই।’
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি এই প্রথম শুনলাম। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুস ছামাদ বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে যতদূর জানি, কোনো নিলাম হয়নি। অভিযোগটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে সরকারি সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, বিক্রিকৃত মালামালের অর্থ কোথায় গেছে এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।