প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় কক্সবাজার

শনিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল ও সফরের নির্ধারিত কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ১৩ তারিখ সারা দিনের নানা কর্মসূচি শেষ করে রাতে লং বিচ হোটেলে সুধী সমাবেশে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর উপলক্ষে শুক্রবার কক্সবাজার এসেছেন ছয় মন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রতিমন্ত্রী এম বেসামরিক বিমান ও পর্যটন রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নেতৃত্বে সব মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি স্থল পরিদর্শন ও সকল বিষয়াদি পর্যবেক্ষণ এবং পরামর্শ দেন। কক্সবাজারে সবকিছু প্রস্তুত, এখন শুধু অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীর। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে অনুষ

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় কক্সবাজার

শনিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল ও সফরের নির্ধারিত কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ১৩ তারিখ সারা দিনের নানা কর্মসূচি শেষ করে রাতে লং বিচ হোটেলে সুধী সমাবেশে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফর উপলক্ষে শুক্রবার কক্সবাজার এসেছেন ছয় মন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রতিমন্ত্রী এম বেসামরিক বিমান ও পর্যটন রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নেতৃত্বে সব মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি স্থল পরিদর্শন ও সকল বিষয়াদি পর্যবেক্ষণ এবং পরামর্শ দেন। কক্সবাজারে সবকিছু প্রস্তুত, এখন শুধু অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীর।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে অনুষ্ঠানের ভেন্যু পরিদর্শন করেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না এমপি, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক আকতার চৌধুরীসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় কক্সবাজার

আর বুধবার (১০ই জুন) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে নির্ধারিত বিভিন্ন কর্মসূচির স্থান পরিদর্শন করেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।

তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির স্থান, চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে জনসভার মাঠ, নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের স্থান এবং নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের নির্ধারিত এলাকা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শন শেষে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর জেলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে এ সফর স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে আমরা আশা করছি।

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় কক্সবাজার

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন স্থানে সাজসজ্জা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে চকরিয়া, পেকুয়া, ডুলাহাজারা ও কক্সবাজার শহরের কর্মসূচিস্থলগুলোতে প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। মাঝে বাগড়া দিচ্ছে বৃষ্টি।

কক্সবাজার সদরের সুধী সমাবেশ, পিএমখালীর প্রোগ্রাম তদারকি করছেন কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলসহ জেলা বিএনপি ও ঢাকা হতে প্রটোকল টিম তদারকি করছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন এবং সেখানে আয়োজিত পথসভায় অংশ নেবেন। পরে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন এবং মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় কক্সবাজার

সেটা শেষ করে যাবেন পেকুয়া উপজেলায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কক্সবাজার জেলার প্রথম শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে।

সফরে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে আয়োজিত রাজনৈতিক জনসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষণ শেষে তিনি মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করে রাতে কক্সবাজার শহরের লং বিচ হোটেলের অডিটোরিয়ামে সুধী সমাবেশে যোগ দেওয়ার পর কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। ১২ ঘণ্টার শিডিউল কর্মসূচি শেষে একই দিন রাত ১১টার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow