প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে লিগ্যাল নোটিশ

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করার দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বগুড়া ইউনিটের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল রেজিস্ট্রি ডাকযোগে জনস্বার্থে এ নোটিশ পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ব সচিব, মুখ্যসচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইন সচিব, সংসদবিষয়ক সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে অবিলম্বে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও পড়ুননতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হতে পারে শেরে বাংলা নগরেনভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন, থাকবে ১৬ বছরের দুঃশাসনের চিত্র জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশের নীতিগত অনুমোদন নোটিশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে জনসাধারণের জন্য জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে। পরে প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের জন্য নিরাপদ

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে লিগ্যাল নোটিশ

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করার দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বগুড়া ইউনিটের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল রেজিস্ট্রি ডাকযোগে জনস্বার্থে এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ব সচিব, মুখ্যসচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইন সচিব, সংসদবিষয়ক সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে এ বিষয়ে অবিলম্বে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন
নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হতে পারে শেরে বাংলা নগরে
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন, থাকবে ১৬ বছরের দুঃশাসনের চিত্র 
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশের নীতিগত অনুমোদন

নোটিশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে জনসাধারণের জন্য জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে। পরে প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের জন্য নিরাপদ ও উপযুক্ত একটি সরকারি বাসভবন নির্ধারণ, নির্মাণ বা সংস্কারের বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয় না। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, মর্যাদা ও উপযুক্ত আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করা একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের নিরাপত্তা, ধারাবাহিকতা ও সুষ্ঠু কার্যক্রম নিশ্চিত করার স্বার্থে একটি নিরাপদ ও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত সরকারি বাসভবনের অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা রক্ষা করা যুক্তিসংগতভাবে প্রত্যাশিত। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণে আপাত নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুতর প্রশ্নের উদ্ভব ঘটিয়েছে।

এফএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow