প্রবাসী মোকাররম হত্যায় পরকীয়া প্রেমিকার স্বীকারোক্তি
রাজধানীর মুগদা এলাকায় সৌদি প্রবাসী মোকাররম মিয়ার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার পরকীয়া প্রেমিকা তাসলিমা বেগম ওরফে হাসনা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ মে) আসামি হাসনা ও সন্দেহভাজন আরেক আসামি আব্দুল মতিন দেওয়ানকে ঢাকার মহানগর আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক মিঠু। এ সময় তাসলিমার জবানবন্দি গ্রহণ এবং মতিনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে তাসলিমার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নথিভুক্ত করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি। অন্যদিকে, আব্দুল মতিন দেওয়ানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ। প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, বুধবার নরসিংদী থেকে হাসনাকে এবং রাজধানীর শনির আখড়া এলাকা থেকে মতিনকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে মামলার আরেক আসামি হেলেনা বেগম আদালতে জবানবন্দি দেন। তার কিশোরী মেয়েকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, নিহত মোকাররম মিয়া
রাজধানীর মুগদা এলাকায় সৌদি প্রবাসী মোকাররম মিয়ার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার পরকীয়া প্রেমিকা তাসলিমা বেগম ওরফে হাসনা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) আসামি হাসনা ও সন্দেহভাজন আরেক আসামি আব্দুল মতিন দেওয়ানকে ঢাকার মহানগর আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক মিঠু। এ সময় তাসলিমার জবানবন্দি গ্রহণ এবং মতিনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
শুনানি শেষে তাসলিমার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নথিভুক্ত করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি। অন্যদিকে, আব্দুল মতিন দেওয়ানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ।
প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, বুধবার নরসিংদী থেকে হাসনাকে এবং রাজধানীর শনির আখড়া এলাকা থেকে মতিনকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে মামলার আরেক আসামি হেলেনা বেগম আদালতে জবানবন্দি দেন। তার কিশোরী মেয়েকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, নিহত মোকাররম মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং সৌদি আরবপ্রবাসী ছিলেন। গত ১৩ মে দেশে ফিরে তিনি মুগদার মান্ডা এলাকায় হেলেনা বেগমের বাসায় ওঠেন। সেখানে তাসলিমা বেগমের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে আলোচনা চলছিল।
তদন্তে উঠে এসেছে, দুজনের মধ্যে আর্থিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মোকাররমকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরে তাকে হত্যা করে মরদেহ কয়েক টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের অংশ উদ্ধার করে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।
ঘটনার পর নিহতের চাচা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মুগদা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত চলমান।
এমডিএএ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?