প্রবাসীদের সহযোগিতায় দেশে ফিরল সোহানের মরদেহ
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার তরুণ প্রবাসী সোহানের মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরেছে। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের সহযোগিতায় তার মরদেহ দেশে পাঠানো সম্ভব হয়।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের চিকনমাটি গ্রামে তার মরদেহ পৌঁছায়। পরে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নিহত সোহান ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে।
মরদেহ ফিরে পেয়ে নিহতের পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে। নিহতের মা সাহিনুর বেগম জানান, তাদের ইচ্ছা ছিল বাড়ির পাশেই সোহানকে দাফন করার—অবশেষে সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। মরদেহ দেশে আনতে তাদের কোনো খরচ করতে হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা ফান্ড সংগ্রহ করে প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মরদেহ দেশে পাঠিয়েছেন। এজন্য তিনি সব প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দোয়া কামনা করেন।
নিহতের মামা মিঠু ও চাচা মানিক প্রবাসী বাংলাদেশি এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তাদের সহযোগিতা না পেলে এত দ্রুত মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হতো না।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের অদ
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার তরুণ প্রবাসী সোহানের মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরেছে। প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের সহযোগিতায় তার মরদেহ দেশে পাঠানো সম্ভব হয়।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের চিকনমাটি গ্রামে তার মরদেহ পৌঁছায়। পরে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নিহত সোহান ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে।
মরদেহ ফিরে পেয়ে নিহতের পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে। নিহতের মা সাহিনুর বেগম জানান, তাদের ইচ্ছা ছিল বাড়ির পাশেই সোহানকে দাফন করার—অবশেষে সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। মরদেহ দেশে আনতে তাদের কোনো খরচ করতে হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা ফান্ড সংগ্রহ করে প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মরদেহ দেশে পাঠিয়েছেন। এজন্য তিনি সব প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দোয়া কামনা করেন।
নিহতের মামা মিঠু ও চাচা মানিক প্রবাসী বাংলাদেশি এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তাদের সহযোগিতা না পেলে এত দ্রুত মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হতো না।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের অদূরে কাতলেহং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সোহান সেখানে একটি দোকানে কাজ করতেন। ঘটনার দিন মাগরিবের সময় তিনি দোকানের মালিকের সঙ্গে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে দোকানের মালিক মোমবাতি আনতে পেছনে যান। তখন দুর্বৃত্তরা অতর্কিতভাবে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সোহানের মৃত্যু হয়।