প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে সেই নির্মাণ শ্রমিক গ্রেপ্তার
ফেনী সদরের শর্শদীতে নির্মাণাধীন বাড়িতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নির্মাণ শ্রমিক সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রামের বায়োজিদ বোস্তামি এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাইফুল ইসলাম (৩২) সদর উপজেলার শর্শদীর ছোসনা এলাকার বাসিন্দা। সে পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-র পুলিশ সুপার উক্য সিংহ কালবেলাকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে চট্টগ্রামের বায়োজিদ এলাকায় একটি বাসা থেকে সকাল ১১টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজারের ছোসনা এলাকায় এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ তারই নির্মাণাধীন বাড়ির একটি কক্ষের বালুর নিচে পুঁতে রাখেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে গতকাল বুধবার নামাজের জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে। নিহত শিরিন আক্তার স্থানীয় বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মো. মানিক মিয়ার স্ত্রী। তাদের ২ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। মানিক মিয়া বর্
ফেনী সদরের শর্শদীতে নির্মাণাধীন বাড়িতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নির্মাণ শ্রমিক সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রামের বায়োজিদ বোস্তামি এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাইফুল ইসলাম (৩২) সদর উপজেলার শর্শদীর ছোসনা এলাকার বাসিন্দা। সে পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-র পুলিশ সুপার উক্য সিংহ কালবেলাকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে চট্টগ্রামের বায়োজিদ এলাকায় একটি বাসা থেকে সকাল ১১টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজারের ছোসনা এলাকায় এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ তারই নির্মাণাধীন বাড়ির একটি কক্ষের বালুর নিচে পুঁতে রাখেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে গতকাল বুধবার নামাজের জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
নিহত শিরিন আক্তার স্থানীয় বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী মো. মানিক মিয়ার স্ত্রী। তাদের ২ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। মানিক মিয়া বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে পরিবারটি মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল। সম্প্রতি তারা পাশের জমিতে নতুন বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন।
বাড়ির নির্মাণ কাজে একই এলাকার সাইফুল ইসলাম নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। ঘটনার দিন বিকেলে নিহত শিরিন আক্তারের ছোট ছেলে আরজু তার মাকে খোঁজে না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়িতে গিয়ে দেখেন শ্রমিক সাইফুল একটি কক্ষে কোদাল দিয়ে বালুর স্তূপ করছিলেন।
সন্ধ্যার পর প্রবাসীর স্ত্রীকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে নির্মাণাধীন বালুর স্তূপের নিচ থেকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রী মঙ্গলবার বিকেলে কাজ দেখতে নির্মাণাধীন বাড়িতে গেলে তাকে হত্যা করে বালুর নিচে তার মরদেহ পুঁতে রাখা হয়।
ঘটনার পর থেকেই নির্মাণশ্রমিক সাইফুল পলাতক ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফৌজুল কবীর বলেন, নিহতের ছেলে আরিয়ান আরজু বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। সন্দেহভাজন সাইফুলকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ তদন্ত করে এ হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
What's Your Reaction?