প্রাথমিক বৃত্তির ফলাফলে শীর্ষে ঢাকা, ফেল বেশি দিনাজপুরে

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে এ ফল প্রকাশ করা হয়। ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। ঢাকায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২ জন বৃত্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৮৯৭ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২ হাজার ৭৮৫ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। ৬৪ জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবানে। জেলাটি থেকে এবার বৃত্তি পেয়েছে মাত্র ১৮৮ জন। তার মধে ১০৯ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৭৯ জন সাধারণ ক্যাটাগরিতে। ফেল-অনুপস্থিতিতে শীর্ষে দিনাজপুর-নারায়ণগঞ্জ বৃত্তি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ফেল করেছে দিনাজপুর জেলায়। জেলাটিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ হাজার ৩৬৬ জন। তাদের মধ্যে ফেল করেছে ৮ হাজার ৮৯৮ জন। ফেলের অনুপাত ৫৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। আরও পড়ুন প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন এদিকে, সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত ছিল নারায়ণগঞ্জে। জেলাটির মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ১৯৬ জন। তার মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি ৪ হাজার ৮৫৮ জন। শতা

প্রাথমিক বৃত্তির ফলাফলে শীর্ষে ঢাকা, ফেল বেশি দিনাজপুরে

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। ঢাকায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২ জন বৃত্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৮৯৭ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২ হাজার ৭৮৫ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

৬৪ জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবানে। জেলাটি থেকে এবার বৃত্তি পেয়েছে মাত্র ১৮৮ জন। তার মধে ১০৯ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৭৯ জন সাধারণ ক্যাটাগরিতে।

ফেল-অনুপস্থিতিতে শীর্ষে দিনাজপুর-নারায়ণগঞ্জ

বৃত্তি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ফেল করেছে দিনাজপুর জেলায়। জেলাটিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ হাজার ৩৬৬ জন। তাদের মধ্যে ফেল করেছে ৮ হাজার ৮৯৮ জন। ফেলের অনুপাত ৫৭ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এদিকে, সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত ছিল নারায়ণগঞ্জে। জেলাটির মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ১৯৬ জন। তার মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি ৪ হাজার ৮৫৮ জন। শতাংশের হিসাবে অনুপস্থিতি ৫২ দশমিক ৮০ শতাংশ।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তার মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩ হাজার ২০৫টি।

এবার পরীক্ষায় অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৪ জন।

গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিল ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন। উপস্থিতির হার ৬৫ দশমিক ১১ শতাংশ। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১২৭ জন। আর বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন।

রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রাথমিক বৃত্তির ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী প্রমুখ।

এএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow