প্রেম করে দ্বিতীয় বিয়ে, তালাক দেওয়ায় যে কাণ্ড ইউপি সদস্যের
পারিবারিক টানাপোড়েন, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং বিপুল ঋণের মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে তুলা রাম (৩৯) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আত্মহত্যা করেছেন।
রোববার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাঙবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত তুলা রাম বাচোর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও প্রায় দুই বছর আগে পার্শ্ববর্তী রাতোর ইউনিয়নের ‘জুই’ নামের এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে দ্বিতীয় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তুলা রাম। তবে দুই সংসার চালাতে গিয়ে শুরু থেকেই তিনি নানা পারিবারিক ও দাম্পত্য জটিলতায় পড়েন। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে গেলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। অনেক চেষ্টা করেও তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হন।
অন্যদিকে দুই পরিবারের ব্যয়ভার বহন ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নেওয়া বিপুল ঋণের বোঝা দিন দিন তার ওপর মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছিল। স্বজন ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, একদিকে দ্বিতীয় স্ত্রীর বিচ্ছেদ এবং অন্যদিকে পাওনাদারদের চাপ- এই দুই
পারিবারিক টানাপোড়েন, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং বিপুল ঋণের মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে তুলা রাম (৩৯) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আত্মহত্যা করেছেন।
রোববার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাঙবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত তুলা রাম বাচোর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও প্রায় দুই বছর আগে পার্শ্ববর্তী রাতোর ইউনিয়নের ‘জুই’ নামের এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে দ্বিতীয় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তুলা রাম। তবে দুই সংসার চালাতে গিয়ে শুরু থেকেই তিনি নানা পারিবারিক ও দাম্পত্য জটিলতায় পড়েন। সম্প্রতি দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে গেলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। অনেক চেষ্টা করেও তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হন।
অন্যদিকে দুই পরিবারের ব্যয়ভার বহন ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নেওয়া বিপুল ঋণের বোঝা দিন দিন তার ওপর মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছিল। স্বজন ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, একদিকে দ্বিতীয় স্ত্রীর বিচ্ছেদ এবং অন্যদিকে পাওনাদারদের চাপ- এই দুইয়ের টানাপোড়েনে তিনি চরম হতাশায় ভুগছিলেন।
মৃত্যুর পূর্বে রোববার রাতে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে সবার কাছে নিজের জীবনের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তার নিথর দেহ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহ, দাম্পত্য সংকট ও ঋণের ভারে সৃষ্ট চরম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।