প্রেমের বিয়ের ৭ মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পলাতক

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রেমের বিয়ের সাত মাসের মাথায় খাদিজা আক্তার কাশফি (১৮) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী মো. মারুফ (২১) পলাতক রয়েছেন। কাশফি উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের মালঘর বাজার এলাকার কাজী বাড়ির আবদুল জলিলের মেয়ে। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কাশফির মরদেহ রেখে তার স্বামী চলে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে পরিবারের অমতে প্রেম করে একই ইউনিয়নের আলী হোসেনের ছেলে মারুফকে বিয়ে করেন কাশফি। হাসপাতাল সূত্র জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে মারুফ তার স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে হাসপাতাল থেকে চলে যান তিনি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তরুণীর মৃত্যু হয়েছিল। তার গলায় একটি দাগ দেখা গেছে

প্রেমের বিয়ের ৭ মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী পলাতক

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রেমের বিয়ের সাত মাসের মাথায় খাদিজা আক্তার কাশফি (১৮) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী মো. মারুফ (২১) পলাতক রয়েছেন।

কাশফি উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের মালঘর বাজার এলাকার কাজী বাড়ির আবদুল জলিলের মেয়ে। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কাশফির মরদেহ রেখে তার স্বামী চলে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে পরিবারের অমতে প্রেম করে একই ইউনিয়নের আলী হোসেনের ছেলে মারুফকে বিয়ে করেন কাশফি।

হাসপাতাল সূত্র জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে মারুফ তার স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে হাসপাতাল থেকে চলে যান তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তরুণীর মৃত্যু হয়েছিল। তার গলায় একটি দাগ দেখা গেছে। মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রয়োজন।

মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন কাশফির স্বজনেরা। বড় বোন ঝুমুর আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে কাশফির ওপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালানো হতো। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

মা শাহীনূর আক্তার বলেন, মেয়েটি পরিবারের খুব আদরের ছিল। বিয়ের পরও তিনি মেয়ের খোঁজখবর রাখতেন। এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। বাবা আবদুল জলিল বলেন, পরিবারের অমতে বিয়ে করার পর থেকেই মেয়ের সংসারে নানা সমস্যা চলছিল। ঘটনার দিনদুপুর থেকেই অস্বাভাবিক কিছু ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিলেন।

খবর পেয়ে আনোয়ারা থানা-পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে এক গৃহবধূর মরদেহ রেখে স্বামী চলে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহের গলায় দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এমআরএএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow