পড়ে আছে ২ কোটি টাকার সেতু

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু অবহেলায় পড়ে আছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজেই আসছে না। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের ওপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।  সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যক্রম অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, এতে ভোগান্তির শেষ হচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙা সেতু ছিল, যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই ভোগান্তি

পড়ে আছে ২ কোটি টাকার সেতু
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু অবহেলায় পড়ে আছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজেই আসছে না। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের ওপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।  সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যক্রম অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, এতে ভোগান্তির শেষ হচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙা সেতু ছিল, যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই ভোগান্তি রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা। কবাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক তালুকদার জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা। উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ঝর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow