ফরিদপুর কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ফরিদপুর জেলা কারাগারের শাহ আলম (৪৮) নামের এক হাজতির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৭ মে) দিনগত রাত দেড়টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন ওয়ার্ডে তিনি মারা যান। নিহত শাহ আলম মাদক মামলার আসামি হিসেবে গত ১ এপ্রিল থেকে ফরিদপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরের কালীবাড়ি রোডের বাসিন্দা জালাল মোল্লার ছেলে। জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত চারদিন ধরে শাহ আলম পেটের ব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে ভুগছিলেন। তাকে জেলখানার হাসপাতাল ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল। রোববার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, মাদক মামলার আসামি শাহ্ আলম নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। মৃতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জেলার মনির হোসেন বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করেছ

ফরিদপুর কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ফরিদপুর জেলা কারাগারের শাহ আলম (৪৮) নামের এক হাজতির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৭ মে) দিনগত রাত দেড়টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন ওয়ার্ডে তিনি মারা যান।

নিহত শাহ আলম মাদক মামলার আসামি হিসেবে গত ১ এপ্রিল থেকে ফরিদপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরের কালীবাড়ি রোডের বাসিন্দা জালাল মোল্লার ছেলে।

জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত চারদিন ধরে শাহ আলম পেটের ব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে ভুগছিলেন। তাকে জেলখানার হাসপাতাল ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল। রোববার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, মাদক মামলার আসামি শাহ্ আলম নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। মৃতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় জেলার মনির হোসেন বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow