ফরিদপুরে ইজিবাইক চোর চক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে আন্তঃজেলা ইজিবাইক চোর চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১৮টি ইজিবাইকসহ বিপুল সংখ্যক খণ্ডিত যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- মোজাম্মেল মণ্ডল, ইলিয়াস হোসেন, আবুল হোসেন মোল্লা, তানভীর শেখ, আওয়াল বিশ্বাস, বদিউজ্জামান মোল্লা, মৃদুল, মিলন খান, মো. আশরাফ, শহীদ শিকদার, জুয়েল রানা ও রনি মিয়া। পুলিশ জানিয়েছে, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় করা একটি ইজিবাইক চুরির মামলার তদন্তে এই চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। মামলার বাদী জাহিদুল ইসলাম (৪০)। ১৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে শহরের কোর্টপাড়া জামে মসজিদের সামনে ইজিবাইকটি তালাবদ্ধ করে আদালতে যান তিনি। প্রায় ৪৫ মিনিট পর ফিরে এসে দেখেন, সেটি চুরি হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, চক্রটি চুরি করা ইজিবাইক কেটে অংশবিশেষ আলাদা করে অন্য যন্ত্রাংশের সঙ্গে জোড়া লাগিয়ে নতুন রূপ দিয়ে বিক্রি করত। ধরা যাতে না পড়ে, সে জন্য ইঞ্জিন ও চ্যাসিস নম্বর পরিবর্তন করে ভুয়া কাগজপত্রও তৈরি করা হতো। নিজে

ফরিদপুরে ইজিবাইক চোর চক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে আন্তঃজেলা ইজিবাইক চোর চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১৮টি ইজিবাইকসহ বিপুল সংখ্যক খণ্ডিত যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- মোজাম্মেল মণ্ডল, ইলিয়াস হোসেন, আবুল হোসেন মোল্লা, তানভীর শেখ, আওয়াল বিশ্বাস, বদিউজ্জামান মোল্লা, মৃদুল, মিলন খান, মো. আশরাফ, শহীদ শিকদার, জুয়েল রানা ও রনি মিয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় করা একটি ইজিবাইক চুরির মামলার তদন্তে এই চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। মামলার বাদী জাহিদুল ইসলাম (৪০)। ১৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে শহরের কোর্টপাড়া জামে মসজিদের সামনে ইজিবাইকটি তালাবদ্ধ করে আদালতে যান তিনি। প্রায় ৪৫ মিনিট পর ফিরে এসে দেখেন, সেটি চুরি হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, চক্রটি চুরি করা ইজিবাইক কেটে অংশবিশেষ আলাদা করে অন্য যন্ত্রাংশের সঙ্গে জোড়া লাগিয়ে নতুন রূপ দিয়ে বিক্রি করত। ধরা যাতে না পড়ে, সে জন্য ইঞ্জিন ও চ্যাসিস নম্বর পরিবর্তন করে ভুয়া কাগজপত্রও তৈরি করা হতো। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত ভুয়া গ্যারেজের নাম-ঠিকানাযুক্ত ভুয়া সিলমোহর ব্যবহার করা হতো এ কাজে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নুর হোসেন বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ২০ ফেব্রুয়ারি প্রথমে গোপালগঞ্জের আলাল ফকির (২৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের তিনটি দল ফরিদপুরের বোয়ালমারী, মাগুরা ও শরীয়তপুরে অভিযান চালিয়ে চক্রের সদস্য, ক্রেতাসহ মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরও বলেন, অভিযানে ১৮টি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি সচল ও ৬টি অচল। এ ছাড়া ৪টি চ্যাসিস, একটি বডির কাটা অংশ, ৭টি গ্লাস ফ্রেম, ৩টি কেবিন, তিনটি মাঝের বেড়া, ৩টি পেছনের বেড়া, দুটি বাম্পার, দুটি সকেট জাম্পার, একটি কাটার মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়েছে।

উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রায়হান গফুর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow