ফসলি জমিতে পড়ে ছিল যুবকের মরদেহ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (০৬ মে) সকালে দক্ষিণ শ্রীরামপুর রাজবাড়ির সামনের একটি মাঠে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে রামগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মোস্তাফিজুর রহমান ওই এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছোট ছেলে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মরদেহের শরীরে বিদ্যুতের তার পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ কারণে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হতে পারে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। তার বাবা গত রমজান ঈদের আগে মারা গেলে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন এবং গত দুই মাস ধরে সেখানেই অবস্থান করছিলেন।
নিহতের স্ত্রী আয়েশা আক্তার মীতু বলেন, ফজরের আজানের আগে মোস্তাফিজ ঘর থেকে বের হন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, বাড়ির অদূরের একটি মাঠে তার মরদেহ পড়ে আছে।
রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হব
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (০৬ মে) সকালে দক্ষিণ শ্রীরামপুর রাজবাড়ির সামনের একটি মাঠে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে রামগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মোস্তাফিজুর রহমান ওই এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছোট ছেলে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মরদেহের শরীরে বিদ্যুতের তার পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ কারণে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হতে পারে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। তার বাবা গত রমজান ঈদের আগে মারা গেলে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন এবং গত দুই মাস ধরে সেখানেই অবস্থান করছিলেন।
নিহতের স্ত্রী আয়েশা আক্তার মীতু বলেন, ফজরের আজানের আগে মোস্তাফিজ ঘর থেকে বের হন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, বাড়ির অদূরের একটি মাঠে তার মরদেহ পড়ে আছে।
রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।