ফাইনাল নিশ্চিত করার পরেই ইয়ামালের বাড়িতে চুরির চেষ্টা!

দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে লা রোজারা ২-০ গোলে পরাজিত করে শক্তিশালী ফ্রান্সকে। তবে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে ওঠার আনন্দ উদযাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক অনাকাঙ্ক্ষিত আতঙ্কের মুখোমুখি হতে হলো স্প্যানিশ তারকা ফুটবলার লামিন ইয়ামালের পরিবারকে।  বার্সেলোনার এসপ্লুগেস দে ইয়োব্রেগাত এলাকায় অবস্থিত এই বার্সা তারকার বিলাসবহুল বাড়িতে গভীর রাতে চুরির চেষ্টা চালায় একদল দুষ্কৃতকারী। তবে ইয়ামালের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মীদের তৎপরতায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছে তার পরিবার। স্থানীয় সময় রাত আনুমানিক চারটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। বাড়ির দেয়ালে বসানো ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় নিরাপত্তা কর্মীরা দেখতে পান, মাথায় হুডি ও মুখে মুখোশ পরা দুই ব্যক্তি সীমানা প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছে। নিরাপত্তা রক্ষীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নিলে ছদ্মবেশী অনুপ্রবেশকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই এই চুরির প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই ইয়ামালের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দল স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি

ফাইনাল নিশ্চিত করার পরেই ইয়ামালের বাড়িতে চুরির চেষ্টা!

দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে লা রোজারা ২-০ গোলে পরাজিত করে শক্তিশালী ফ্রান্সকে। তবে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে ওঠার আনন্দ উদযাপনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক অনাকাঙ্ক্ষিত আতঙ্কের মুখোমুখি হতে হলো স্প্যানিশ তারকা ফুটবলার লামিন ইয়ামালের পরিবারকে। 

বার্সেলোনার এসপ্লুগেস দে ইয়োব্রেগাত এলাকায় অবস্থিত এই বার্সা তারকার বিলাসবহুল বাড়িতে গভীর রাতে চুরির চেষ্টা চালায় একদল দুষ্কৃতকারী। তবে ইয়ামালের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মীদের তৎপরতায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছে তার পরিবার।

স্থানীয় সময় রাত আনুমানিক চারটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। বাড়ির দেয়ালে বসানো ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় নিরাপত্তা কর্মীরা দেখতে পান, মাথায় হুডি ও মুখে মুখোশ পরা দুই ব্যক্তি সীমানা প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছে। নিরাপত্তা রক্ষীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নিলে ছদ্মবেশী অনুপ্রবেশকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই এই চুরির প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই ইয়ামালের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দল স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করে। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এটিকে জোরপূর্বক চুরির চেষ্টা হিসেবে মামলা নথিবদ্ধ করা হয়েছে।

তবে তদন্তে একটি নতুন মোড় এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, একই রাতে ওই একই আবাসিক এলাকার আরও কয়েকটি ভিলাতে চুরির চেষ্টা চালানো হয়েছিল। ফলে অপরাধীরা ঠিক বার্সা তারকাকে লক্ষ্য করেই এই চুরির চেষ্টা চালিয়েছিল, নাকি এটি ওই এলাকার ধনী বাসিন্দাদের বাড়িতে ধারাবাহিকভাবে চালানো সাধারণ কোনো ডাকাতির অংশ ছিল, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সূত্র: মার্কা

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow