ফাইনালে ওঠার জন্য যা দরকার তার কিছুই করতে পারিনি: এমবাপে

২০১৮ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০২২ বিশ্বকাপেও খেলেছিল ফ্রান্স। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হলো ফরাসিদের স্পেনের কাছে হেরে। বিদায়র পর হতাশা লুকাননি ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। ম্যাচ শেষে তিনি স্বীকার করেন, কৌশলগত ও কারিগরি দুই দিক থেকেই নিজেদের প্রত্যাশিত ফুটবল খেলতে ব্যর্থ হয়েছে ফ্রান্স। এমবাপে বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা যে ম্যাচ খেলতে চেয়েছিলাম, সেটা খেলতে পারিনি। কৌশলগত দিক থেকে হোক বা টেকনিক্যাল দিক থেকে, আমাদের সামগ্রিক পারফরম্যান্স প্রত্যাশামতো ছিল না। আর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে না পারলে জেতা সম্ভব নয়।’ স্পেনের আধিপত্যের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘স্পেন তাদের স্বাভাবিক পরিকল্পনাতেই খেলেছে। তারা বলের দখল ধরে রাখতে এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে ভালোবাসে। আমাদের লক্ষ্য ছিল শুরু থেকেই তাদের ওপর উচ্চ চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা নিজেদের ছন্দ খুঁজে না পায়। কিন্তু আমরা সেটা করতে পারিনি। অনেক টেকনিক্যাল ভুল করেছি এবং প্রয়োজনের সময় তাদের ক্ষতি করতে পারিনি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার দায়িত্ব ছিল আমাদের, কিন্তু স

ফাইনালে ওঠার জন্য যা দরকার তার কিছুই করতে পারিনি: এমবাপে

২০১৮ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০২২ বিশ্বকাপেও খেলেছিল ফ্রান্স। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হলো ফরাসিদের স্পেনের কাছে হেরে। বিদায়র পর হতাশা লুকাননি ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে।

ম্যাচ শেষে তিনি স্বীকার করেন, কৌশলগত ও কারিগরি দুই দিক থেকেই নিজেদের প্রত্যাশিত ফুটবল খেলতে ব্যর্থ হয়েছে ফ্রান্স।

এমবাপে বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা যে ম্যাচ খেলতে চেয়েছিলাম, সেটা খেলতে পারিনি। কৌশলগত দিক থেকে হোক বা টেকনিক্যাল দিক থেকে, আমাদের সামগ্রিক পারফরম্যান্স প্রত্যাশামতো ছিল না। আর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে না পারলে জেতা সম্ভব নয়।’

স্পেনের আধিপত্যের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘স্পেন তাদের স্বাভাবিক পরিকল্পনাতেই খেলেছে। তারা বলের দখল ধরে রাখতে এবং ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে ভালোবাসে। আমাদের লক্ষ্য ছিল শুরু থেকেই তাদের ওপর উচ্চ চাপ সৃষ্টি করা, যাতে তারা নিজেদের ছন্দ খুঁজে না পায়। কিন্তু আমরা সেটা করতে পারিনি। অনেক টেকনিক্যাল ভুল করেছি এবং প্রয়োজনের সময় তাদের ক্ষতি করতে পারিনি। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার দায়িত্ব ছিল আমাদের, কিন্তু সেখানেই আমরা ব্যর্থ হয়েছি।"

কৌশলগত ভুলের কথাও তুলে ধরেন ফরাসি অধিনায়ক, ‘শুরু থেকেই মাঝমাঠে আমরা ৩ বনাম ২ পরিস্থিতিতে পড়ে গিয়েছিলাম। স্পেনের মতো দলের বিপক্ষে এটা খুব কঠিন। ফাবিয়ান রুইজ ও রদ্রি অনেক সময় নিয়ে খেলতে পেরেছে। প্রেসিংয়ের সময় আমাদের যোগাযোগেও ঘাটতি ছিল। আমার মনে হয়, স্পেনের বিপক্ষে আমাদের এক-একজন করে চাপ দেওয়া উচিত ছিল, যাতে তাদেরও দৌড়াতে বাধ্য করা যায়। এমনকি সামনের দিকে বল কেড়ে নেওয়ার পরও আমাদের প্রথম টাচ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মানের ছিল না। এসব ভুলের ফলই পরাজয়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘নিরপেক্ষভাবে বিচার করলে, ফাইনালে ওঠার জন্য যা যা করা দরকার ছিল, আমরা তার সবকিছু করতে পারিনি।’

নিজেদের হতাশার কথাও অকপটে জানান এমবাপে, ‘সবার মতো আমিও খুব হতাশ। ফাইনালে ওঠা, দেশকে স্বপ্ন দেখানোর সুযোগ করে দেওয়া এবং ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন ছিল আমাদের। এখন মাথা উঁচু রেখেই এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। দল এবং আমি কতটা হতাশ, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। কিন্তু শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলার হিসেবে আমাদের আবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে। কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে নতুন করে শুরু করতে হবে। কারণ ফুটবল কারও জন্য অপেক্ষা করে না। এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow