ফাইনালের স্বপ্ন ভাঙার পর ইংলিশ তারকার আবেগঘন পোস্ট

আর্জেন্টিনার কাছে নাটকীয় হারে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডন। সেমিফাইনালে প্রথম গোলটি করেছিলেন বার্সেলোনার এই তারকা। কিন্তু শেষ দিকে দলের দুই গোল হজমে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যায় ইংল্যান্ডের। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ৫৫তম মিনিটে মর্গ্যান রজার্সের বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন গর্ডন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে টুখেলের তাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরানোর পর যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজ জয়সূচক গোল করে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে ফাইনালে তুলে দেন। ম্যাচ শেষে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আবেগঘন বার্তায় ইংল্যান্ড সমর্থকদের উদ্দেশে গর্ডন লিখেছেন, ‘আমি সত্যিই ভেঙে পড়েছি। এত বছর অপেক্ষার পর সত্যিই মনে হয়েছিল এবারই আমাদের শিরোপা জয়ের সময়। কিন্তু তা আর হলো না। এই কষ্ট অনেক দিন ধরে বয়ে বেড়াতে হবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘জীবনে কখনও এতটা করে জিততে চাইনি। শুধু ট্রফির জন্য নয়, আমরা দল হিসেবে যা গড়ে তুলেছিলাম এবং ইংল্যান্ডের জন্য এর

ফাইনালের স্বপ্ন ভাঙার পর ইংলিশ তারকার আবেগঘন পোস্ট

আর্জেন্টিনার কাছে নাটকীয় হারে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন ইংল্যান্ডের উইঙ্গার অ্যান্থনি গর্ডন। সেমিফাইনালে প্রথম গোলটি করেছিলেন বার্সেলোনার এই তারকা। কিন্তু শেষ দিকে দলের দুই গোল হজমে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যায় ইংল্যান্ডের।

আটলান্টায় অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ৫৫তম মিনিটে মর্গ্যান রজার্সের বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন গর্ডন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে টুখেলের তাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। এনজো ফার্নান্দেজ সমতা ফেরানোর পর যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজ জয়সূচক গোল করে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে ফাইনালে তুলে দেন।

ম্যাচ শেষে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আবেগঘন বার্তায় ইংল্যান্ড সমর্থকদের উদ্দেশে গর্ডন লিখেছেন, ‘আমি সত্যিই ভেঙে পড়েছি। এত বছর অপেক্ষার পর সত্যিই মনে হয়েছিল এবারই আমাদের শিরোপা জয়ের সময়। কিন্তু তা আর হলো না। এই কষ্ট অনেক দিন ধরে বয়ে বেড়াতে হবে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘জীবনে কখনও এতটা করে জিততে চাইনি। শুধু ট্রফির জন্য নয়, আমরা দল হিসেবে যা গড়ে তুলেছিলাম এবং ইংল্যান্ডের জন্য এর যে অর্থ ছিল, তার জন্যও। বিশ্বকাপে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। এমন অনেক স্মৃতি তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘদিন মনে থাকবে।’

উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে ২৫ বছর বয়সী গর্ডন দারুণ ছন্দে ছিলেন। ছয় ম্যাচে তিনি একটি গোল করার পাশাপাশি তিনটি গোলে সহায়তা করেন।

সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি গর্ডন। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে দলকে সমর্থন করা দর্শক এবং নিজ দেশে বসে উৎসাহ দেওয়া সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে এসে কিংবা দেশের মাটিতে থেকে যারা পুরো যাত্রায় আমাদের সমর্থন করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। সবার ঐক্য আর উদযাপন দেখে দারুণ লেগেছে। আমাদের দিন একদিন অবশ্যই আসবে।’

স্পেনে ফেরার আগে ইংল্যান্ডের হয়ে গর্ডনের আরও একটি আন্তর্জাতিক দায়িত্ব বাকি রয়েছে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে টমাস টুখেলের দল। আটলান্টার হৃদয়ভাঙা হারের পর এই ম্যাচটি ইংল্যান্ডের মানসিক দৃঢ়তার বড় পরীক্ষা হয়ে উঠবে।

বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলে গর্ডন কিছুদিনের ছুটি কাটিয়ে বার্সেলোনায় ফিরে যাবেন। এরপর কাতালান ক্লাবটির প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে যোগ দেবেন এই ইংলিশ উইঙ্গার।

আরএএইচইউএল/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow