ফিলিং স্টেশনে তেলের মজুত প্রদর্শন বাধ্যতামূলক, বিপিসির কড়া নির্দেশনা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই দেশের জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি ফিলিং স্টেশনকে জ্বালানি তেলের দৈনিক প্রাপ্তি, বিক্রয় ও মজুতের তথ্য দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিপিসির দেওয়া এক তথ্যে জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি স্টেশনে ব্ল্যাকবোর্ড বা হোয়াইটবোর্ডে প্রতিদিনের জ্বালানি পণ্যের হিসাব লিখে রাখতে হবে, যাতে গ্রাহকরা সহজেই বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পান। সরেজমিনে বিভিন্ন জেলায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন ইতোমধ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ‘এম. আলম গ্যাস স্টেশন’, নেত্রকোনার ‘এবিসি ফিলিং স্টেশন’ এবং যশোরের ‘মেসার্স মনির উদ্দিন আহমেদ’ ফিলিং স্টেশনে বোর্ডে তেলের মজুত ও সরবরাহের তথ্য প্রদর্শন করতে দেখা গেছে। তবে কিছু এলাকায় এখনো গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন এবং চাহিদার তুলনায়
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই দেশের জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি ফিলিং স্টেশনকে জ্বালানি তেলের দৈনিক প্রাপ্তি, বিক্রয় ও মজুতের তথ্য দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিপিসির দেওয়া এক তথ্যে জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি স্টেশনে ব্ল্যাকবোর্ড বা হোয়াইটবোর্ডে প্রতিদিনের জ্বালানি পণ্যের হিসাব লিখে রাখতে হবে, যাতে গ্রাহকরা সহজেই বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পান।
সরেজমিনে বিভিন্ন জেলায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন ইতোমধ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ‘এম. আলম গ্যাস স্টেশন’, নেত্রকোনার ‘এবিসি ফিলিং স্টেশন’ এবং যশোরের ‘মেসার্স মনির উদ্দিন আহমেদ’ ফিলিং স্টেশনে বোর্ডে তেলের মজুত ও সরবরাহের তথ্য প্রদর্শন করতে দেখা গেছে।
তবে কিছু এলাকায় এখনো গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিপিসির আওতাধীন রাষ্ট্রীয় তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান- পদ্মা অয়েল কোম্পানি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং যমুনা অয়েল কোম্পানির মাধ্যমে সারাদেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা চলছে।
একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুত না করার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তেলের সাশ্রয়ী ব্যবহারের ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন, বিশেষ করে ‘হাজী এ. ওয়াজেদ এন্ড সন্স’-এ গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক ব্যানার টাঙানো হয়েছে। এতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি না কেনা এবং অপচয় রোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের এই উদ্যোগ মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি সাধারণ গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতেও সহায়ক হবে।
নগরীর বহদ্দারহাট এবি ফিলিং স্টেশনের মালিক মুসলিম মিয়া কালবেলাকে বলেন, সাধারণ মানুষ সবসময় প্রমাণ চায়। বিপিসির এ উদ্যোগের ফলে মানুষ পাম্পে এসে জানতে পারছে তেল আছে কি না। ফলে ভিন্ন কোনো ঝামেলা হচ্ছে না।
What's Your Reaction?