ফুটবলে সুশাসন ও সাফের হারানো গৌরব ফেরানোর অঙ্গীকার প্রতিমন্ত্রীর

সাবেক তারকা ফুটবলার ও জাতীয় দলের অধিনায়ক আমিনুল হক এবার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে দেশের ঝিমিয়ে পড়া ফুটবল অঙ্গনে নতুন প্রাণ ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন। ২০০৩ সালের সাফ জয়ী দলের এই অতন্দ্র প্রহরী গতকাল সংবাদ সম্মেলনে আক্ষেপ করে বলেন, ‘২০০৩ সালের পর ফুটবলে বড় কোনো সাফল্য নেই। আমাদের মেয়েরা ভালো করলেও ছেলেদের ফুটবলে স্থবিরতা কাটেনি।’ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি জানান, সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সাথে বসে একটি দীর্ঘমেয়াদী বার্ষিক ক্যালেন্ডার তৈরি করা হবে। করপোরেট হাউজগুলোকে ফেডারেশনের সাথে যুক্ত করে আর্থিক দৈন্যতা দূর করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার। তিনি বলেন, ‘হামজা চৌধুরীদের মতো খেলোয়াড়দের আগমনে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আবার সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখি।’ ফেডারেশনগুলোতে সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘বিগত সময়ে যে জবাবদিহিতার অভাব ছিল, তা আর বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি ফেডারেশনকে সচল করা হবে এবং অ্যাডহক কমিটিগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ তিনি আরও জানান, সাবেক খেলোয়াড়দের খেলা ছাড়ার পর যাতে হতাশা

ফুটবলে সুশাসন ও সাফের হারানো গৌরব ফেরানোর অঙ্গীকার প্রতিমন্ত্রীর

সাবেক তারকা ফুটবলার ও জাতীয় দলের অধিনায়ক আমিনুল হক এবার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে দেশের ঝিমিয়ে পড়া ফুটবল অঙ্গনে নতুন প্রাণ ফেরানোর স্বপ্ন দেখছেন।

২০০৩ সালের সাফ জয়ী দলের এই অতন্দ্র প্রহরী গতকাল সংবাদ সম্মেলনে আক্ষেপ করে বলেন, ‘২০০৩ সালের পর ফুটবলে বড় কোনো সাফল্য নেই। আমাদের মেয়েরা ভালো করলেও ছেলেদের ফুটবলে স্থবিরতা কাটেনি।’

ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি জানান, সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সাথে বসে একটি দীর্ঘমেয়াদী বার্ষিক ক্যালেন্ডার তৈরি করা হবে। করপোরেট হাউজগুলোকে ফেডারেশনের সাথে যুক্ত করে আর্থিক দৈন্যতা দূর করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

তিনি বলেন, ‘হামজা চৌধুরীদের মতো খেলোয়াড়দের আগমনে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আবার সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখি।’

ফেডারেশনগুলোতে সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘বিগত সময়ে যে জবাবদিহিতার অভাব ছিল, তা আর বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি ফেডারেশনকে সচল করা হবে এবং অ্যাডহক কমিটিগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, সাবেক খেলোয়াড়দের খেলা ছাড়ার পর যাতে হতাশায় ভুগতে না হয়, সেজন্য তাদের কোচিং বা ক্রীড়া শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

নারীদের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘নারীরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা তাদের পুরুষদের সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে চাই।’

ক্রীড়াঙ্গনকে একটি পরিবারের মতো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে কোনো পক্ষ-বিপক্ষ থাকবে না, বরং সবাই মিলে বাংলাদেশের স্পোর্টসকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে বসানো হবে।

এসকেডি/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow