‘ফুয়েল পাস বিডি’র যত সুবিধা

দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে রাজধানী ঢাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) চালু হয়েছে। শুরুতে রাজধানীর কিছু পেট্রল পাম্পে এর ব্যবহার করা হলেও ইতোমধ্যে আরও ৬ জেলা এবং নগরীতে অ্যাপটির পাইলটিং কার্যক্রমের বিস্তার করা হয়েছে। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের অপচয় ও মজুতদারি রোধ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতেই এই ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুয়েল কার্ড বা অ্যাপভিত্তিক এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা কিউআর কোড ব্যবহার করে নির্ধারিত পাম্প থেকে জ্বালানি নিতে পারবেন। এতে নগদ অর্থের ব্যবহার ছাড়াই দ্রুত লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। ‘ফুয়েল পাস বিডি’ অ্যাপের যত সুবিধা- ডিজিটাল পেমেন্ট ও খরচ নিয়ন্ত্রণ এই ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে সহজে বিল পরিশোধ করতে পারবেন। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে জ্বালানি ক্রয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যাবে, যা অপচয় কমাতে সহায়ক হবে। লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রতিটি জ্বালানি ক্রয়ের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকবে। ফলে ব্যবহারকারীরা স

‘ফুয়েল পাস বিডি’র যত সুবিধা
দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে রাজধানী ঢাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) চালু হয়েছে। শুরুতে রাজধানীর কিছু পেট্রল পাম্পে এর ব্যবহার করা হলেও ইতোমধ্যে আরও ৬ জেলা এবং নগরীতে অ্যাপটির পাইলটিং কার্যক্রমের বিস্তার করা হয়েছে। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের অপচয় ও মজুতদারি রোধ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতেই এই ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুয়েল কার্ড বা অ্যাপভিত্তিক এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা কিউআর কোড ব্যবহার করে নির্ধারিত পাম্প থেকে জ্বালানি নিতে পারবেন। এতে নগদ অর্থের ব্যবহার ছাড়াই দ্রুত লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। ‘ফুয়েল পাস বিডি’ অ্যাপের যত সুবিধা- ডিজিটাল পেমেন্ট ও খরচ নিয়ন্ত্রণ এই ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে সহজে বিল পরিশোধ করতে পারবেন। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে জ্বালানি ক্রয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যাবে, যা অপচয় কমাতে সহায়ক হবে। লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রতিটি জ্বালানি ক্রয়ের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকবে। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের জ্বালানি ব্যবহারের হিসাব ও রিপোর্ট দেখতে পারবেন। নিরাপত্তা ও অপব্যবহার রোধ ফুয়েল কার্ড নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহারের ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি এটি কালোবাজারি ও অবৈধ মজুতদারি প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখবে। সময় সাশ্রয় ও সহজতা এই পদ্ধতিতে কাগজের রসিদের প্রয়োজন হবে না। দ্রুত লেনদেনের ফলে গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সে লক্ষ্যে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড বা ‘ফুয়েল পাস’ চালুর বিকল্প নেই। তারা আরও জানিয়েছে, এই পদ্ধতিটি পুরোপুরি চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow