ফেনীর চার জায়ান্ট স্ক্রিন প্রাঙ্গণে বিষাদের ছায়া
গোল যখন জালে জড়ালো, ঠিক তখনই লহমায় এক নীরবতা নেমে এলো পুরো ফেনী শহরজুড়ে। বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে প্রিয় দল আর্জেন্টিনার মহানাটকীয় পরাজয়ের পর এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয় ফেনীর প্রধান চারটি জায়ান্ট স্ক্রিন প্রাঙ্গণে। রোববার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে ফুটবলের এই মহাদ্বৈরথকে কেন্দ্র করে ফেনী শহরের জেল রোড, মিজান রোডের মাথা, এসি মার্কেটের সামনে ও মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে বসেছিল বিশাল জায়ান্ট স্ক্রিন। ম্যাচ শুরুর বহু আগে থেকেই নীল-সাদা জার্সিতে কাণায় কাণায় পূর্ণ হয়ে ওঠে এই প্রাঙ্গণগুলো। ঢাক-ঢোল, ভুভুজেলা আর ‘আর্জেন্টিনা-আর্জেন্টিনা’ স্লোগানে মুখরিত ছিল চারপাশ। খেলার প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের উত্তেজনায় দর্শকরা কখনো উল্লাসে মেতেছেন, কখনো আবার উত্তেজনায় নখ কামড়েছেন। কিন্তু ম্যাচটি যখন অতিরিক্ত সময় পার করে তখন ফেনীর জায়ান্ট স্ক্রিন প্রাঙ্গণগুলোতে উপস্থিত হাজারো আর্জেন্টিনা সমর্থকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে চরম উদ্বেগ। সবশেষে স্পেনের জয় নিশ্চিত হতেই ভেঙে যায় কোটি ভক্তের স্বপ্ন। ফেনীর ৪টি জায়ান্ট স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা শত শত তরুণের চোখে দেখা যায় অশ্রু। কেউ কেউ প্রিয় দলের
গোল যখন জালে জড়ালো, ঠিক তখনই লহমায় এক নীরবতা নেমে এলো পুরো ফেনী শহরজুড়ে। বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে প্রিয় দল আর্জেন্টিনার মহানাটকীয় পরাজয়ের পর এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয় ফেনীর প্রধান চারটি জায়ান্ট স্ক্রিন প্রাঙ্গণে।
রোববার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে ফুটবলের এই মহাদ্বৈরথকে কেন্দ্র করে ফেনী শহরের জেল রোড, মিজান রোডের মাথা, এসি মার্কেটের সামনে ও মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে বসেছিল বিশাল জায়ান্ট স্ক্রিন। ম্যাচ শুরুর বহু আগে থেকেই নীল-সাদা জার্সিতে কাণায় কাণায় পূর্ণ হয়ে ওঠে এই প্রাঙ্গণগুলো। ঢাক-ঢোল, ভুভুজেলা আর ‘আর্জেন্টিনা-আর্জেন্টিনা’ স্লোগানে মুখরিত ছিল চারপাশ।
খেলার প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের উত্তেজনায় দর্শকরা কখনো উল্লাসে মেতেছেন, কখনো আবার উত্তেজনায় নখ কামড়েছেন। কিন্তু ম্যাচটি যখন অতিরিক্ত সময় পার করে তখন ফেনীর জায়ান্ট স্ক্রিন প্রাঙ্গণগুলোতে উপস্থিত হাজারো আর্জেন্টিনা সমর্থকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে চরম উদ্বেগ।
সবশেষে স্পেনের জয় নিশ্চিত হতেই ভেঙে যায় কোটি ভক্তের স্বপ্ন। ফেনীর ৪টি জায়ান্ট স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা শত শত তরুণের চোখে দেখা যায় অশ্রু। কেউ কেউ প্রিয় দলের জার্সি দিয়ে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন, আবার কাউকে দেখা যায় বন্ধুদের জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা খুঁজতে। মাঝবয়সি অনেক প্রবীণ সমর্থককেও বিষণ্ন মনে মাঠ ছাড়তে দেখা যায়।
ফেনী জেল রোডে খেলা দেখতে আসা শহরের এক কলেজশিক্ষার্থী ফারহান মাহাতাব অশ্রুসজল চোখে বলেন, আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আশায় ছিলাম। দল এত ভালো খেলেও এভাবে হেরে যাবে, ভাবতেই পারছি না। ফুটবল আসলেই নিষ্ঠুর।
আর্জেন্টিনা সমর্থক কাজী নজরুল ইসলাম দুলাল বলেন, হার-জিত খেলারই অংশ, কিন্তু ফাইনালে এসে এভাবে হেরে যাওয়াটা মেনে নেওয়া কষ্টের। বুকটা ভেঙে গেল।
পরাজয়ের বেদনা কাটিয়ে উঠতে না পারলেও প্রিয় দলের এই লড়াকু পারফরম্যান্সকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ফেনীর ফুটবল অনুরাগীরা। খেলা শেষে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিষণ্ন মনে ঘরে ফিরে যান সমর্থকরা। তবে পরাজয়ের এই ক্ষত আর হাজারো সমর্থকের চোখের জল ফেনীর ফুটবল ইতিহাসে এক স্মরণীয় রাত হিসেবে থেকে যাবে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, পুরো শহর জুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর ছিল। কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ফেনীর ফুটবলপ্রেমীরা খেলা শেষ ঘরে ফিরেছেন।
আবদুল্লাহ আল-মামুন/এফএ/জেআইএম
What's Your Reaction?
