ফের পেছালো ব্যবসায়ী গোলাপ হত্যা মামলার রায়, নতুন তারিখ ৬ আগস্ট
ঢাকার নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন পিংকুকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ পাঁচ টুকরো করার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা আবারও পিছিয়েছে। আগামী ৬ আগস্ট রায় ঘোষণার নতুন দিন ঠিক করেছেন আদালত। বুধবার (১৩ মে) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলামের আদালতে মামলাটির রায় ঘোষণার কথা ছিল। তবে বিচারক অন্য মামলার কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত দিনে রায় দেওয়া সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী জুম্মন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ওরফে মতি, তার বোন মরিয়ম বেগম, মরিয়মের স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাস্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, দুই ভাই কাদের ও নেকবর, হাফিজ উদ্দিন এবং শিবলু। তাদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। এর আগে, গত ৪ মার্চ মামলাটির রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। পরে আদালত সেটি পিছিয়ে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করেন। পরবর্তীতে ১৩ মে নতুন দিন ঠিক করা হলেও এদিনও রায় ঘোষণা হয়নি। মামলার নথি অনুযায়ী, নবাবগ
ঢাকার নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন পিংকুকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ পাঁচ টুকরো করার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা আবারও পিছিয়েছে। আগামী ৬ আগস্ট রায় ঘোষণার নতুন দিন ঠিক করেছেন আদালত।
বুধবার (১৩ মে) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলামের আদালতে মামলাটির রায় ঘোষণার কথা ছিল। তবে বিচারক অন্য মামলার কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত দিনে রায় দেওয়া সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী জুম্মন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ওরফে মতি, তার বোন মরিয়ম বেগম, মরিয়মের স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাস্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, দুই ভাই কাদের ও নেকবর, হাফিজ উদ্দিন এবং শিবলু। তাদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এর আগে, গত ৪ মার্চ মামলাটির রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। পরে আদালত সেটি পিছিয়ে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করেন। পরবর্তীতে ১৩ মে নতুন দিন ঠিক করা হলেও এদিনও রায় ঘোষণা হয়নি।
মামলার নথি অনুযায়ী, নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেনের সঙ্গে প্রধান আসামি মতিউর রহমান ও তার স্বজনদের বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। সেই বিরোধের জেরে ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিকেলে মালিকান্দার চক এলাকায় যাওয়ার পথে গোলাপকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ পাঁচ টুকরো করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই মো. এরশাদ নবাবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচারকালে ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
এমডিএএ/এমএমকে
What's Your Reaction?