ফের বেড়েছে লেবুর দাম, হালি ১২০ টাকা

রাঙ্গামাটির বাজারে ফের বেড়েছে লেবুর দাম। বর্তমানে এক হালি বড় সাইজের লেবু বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আকারভেদে এক হালি লেবু কিনতে ক্রেতার খরচ হচ্ছে সর্বনিম্ন ৬০ টাকা পর্যন্ত। রোজার শুরুতে সারাদেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটিতেও বেড়েছিল লেবুর দাম। তবে রোজার এক সপ্তাহ পরেই দাম কমেছিল লেবুর, তখন ৩০-৫০ টাকার মধ্যে এক হালি কেনা যেত। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে যেসব লেবু এখন পাওয়া যাচ্ছে তা মূলত বারো মাসি জাতের। আর এই লেবু রাঙ্গামাটিতে চাষ হয় না বললেই চলে। চাষ হয় দক্ষিণ চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে। রাঙ্গামাটির বাজারে এই লেবু সরবরাহ করা হয় রানীরহাট থেকে। পাইকারি একজন ব্যবসায়ী নিয়মিত রাঙ্গামাটির বাজারে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে লেবু সরবরাহ করেন। শহরের বনরুপা বাজারে পান সুপারি বিক্রির পাশাপাশি লেবু বিক্রি করেন দোকানি নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখন আমাদের কেনা বেশি তাই দামটাও বেশি। রোজার আগে বিক্রি করেছি ৩পিস ২০ টাকায়, এরপর রোজার শুরুতে দাম বেড়েছিল। রোজার একসপ্তাহ পরে আবার কম ছিল, এখন আবার বেশি। তিনি আরও বলেন, বাগানিরা লেবু ছাড়ছে না। তাই দাম ওঠানামা করে। আমরা অ্যাভারেজে ২০ টাকা প্রতিপিস কিনেছি। এ

ফের বেড়েছে লেবুর দাম, হালি ১২০ টাকা

রাঙ্গামাটির বাজারে ফের বেড়েছে লেবুর দাম। বর্তমানে এক হালি বড় সাইজের লেবু বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আকারভেদে এক হালি লেবু কিনতে ক্রেতার খরচ হচ্ছে সর্বনিম্ন ৬০ টাকা পর্যন্ত।

রোজার শুরুতে সারাদেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটিতেও বেড়েছিল লেবুর দাম। তবে রোজার এক সপ্তাহ পরেই দাম কমেছিল লেবুর, তখন ৩০-৫০ টাকার মধ্যে এক হালি কেনা যেত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে যেসব লেবু এখন পাওয়া যাচ্ছে তা মূলত বারো মাসি জাতের। আর এই লেবু রাঙ্গামাটিতে চাষ হয় না বললেই চলে। চাষ হয় দক্ষিণ চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে। রাঙ্গামাটির বাজারে এই লেবু সরবরাহ করা হয় রানীরহাট থেকে। পাইকারি একজন ব্যবসায়ী নিয়মিত রাঙ্গামাটির বাজারে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে লেবু সরবরাহ করেন।

শহরের বনরুপা বাজারে পান সুপারি বিক্রির পাশাপাশি লেবু বিক্রি করেন দোকানি নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, এখন আমাদের কেনা বেশি তাই দামটাও বেশি। রোজার আগে বিক্রি করেছি ৩পিস ২০ টাকায়, এরপর রোজার শুরুতে দাম বেড়েছিল। রোজার একসপ্তাহ পরে আবার কম ছিল, এখন আবার বেশি।

ফের বেড়েছে লেবুর দাম, হালি ১২০ টাকা

তিনি আরও বলেন, বাগানিরা লেবু ছাড়ছে না। তাই দাম ওঠানামা করে। আমরা অ্যাভারেজে ২০ টাকা প্রতিপিস কিনেছি। এরপর এখান থেকে ছোট, বড় ও মাঝারি সাইজ আলাদা করেছি। আমি ১০০, ৮০ ও ৬০ টাকা হালি বিক্রি করছি।

বাজারে নিয়মিত কাঁচামাল বিক্রি করেন অস্থায়ী দোকানদার দীপায়ন চাকমা। তিনি জাগো নিউজকে জানান, বাজারে সরবরাহ কম তাই দাম বেশি। আমি কাউখালী উপজেলার চেহেরী (চাইঞুরী বাজার) বাজার থেকে ৪০০ লেবু সাড়ে ৬ হাজার টাকায় কিনেছি, এরপর গাড়ি ভাড়া, লাইন খরচ, অক্টরির টাকা, বাজারের ইজারাদারের টাকা পরিশোধ করে এক পিস লেবুর দাম পড়েছে ২৩ টাকা। এরপর এগুলো বাছাই শেষে ছোট বড় ভাগ করে বিক্রি করতে হচ্ছে। আমার কাছে বড়টার দাম একহালি ১২০ টাকা। আর ছোট সাইজের গুলো ৬০ টাকা হালি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী পুলিশ সদস্য একটি লেবু কিনতে এসে না কিনে ফেরত গেছেন। দোকানি লেবুর দাম চেয়েছেন ২৫ টাকা, ক্রেতা পুলিশ সদস্য ১৫ টাকা বলেছেন। এতে রাজি হননি বিক্রেতা। পরে না কিনেই ফেরত গেছেন ওই নারী পুলিশ সদস্য। এ বিষয়ে তার মন্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, ‘লেবু গাছে মূলত ফাল্গুন-চৈত্র মাসে ফুল আসার সময়। বর্তমানে বারোমাসিসহ দেশি কিছু লেবুও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে এসব লেবু বাজারে এত দাম হলেও প্রকৃত কৃষকরা এটা পাচ্ছে না। কারণ এসব কারসাজি মধ্যস্বত্বভোগীরা করে থাকে। যেমনটা কলার ব্যাপারে হয়। রোজার সময় মৌসুমী ফলের দাম বাড়িয়ে ওরা লাভবান হয়, কিন্তু কৃষক সেটা পায় না।’

আরমান খান/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow