ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে ‘রাজনৈতিক চাপ’, বিব্রত ইউএনওরা
উত্তীর্ণ হয়েও ‘রাজনৈতিক তদবির’ বাদ পড়ার অভিযোগ যোগ্যদের ‘মূল্যায়ন’ করার দাবি বিএনপির নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ: প্রশাসন জনবল নিয়োগের ফল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের আলোচিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’। প্রকৃত সুবিধাভোগী পরিবার শনাক্ত করতে তথ্যভান্ডার তৈরির কাজ শুরুর আগেই এ কর্মসূচির মাঠপর্যায়ের জনবল নিয়োগ নিয়ে রাজশাহীতে দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক। জেলার কয়েকটি উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাতিত্ব এবং যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন। কোথাও নিয়োগের ফল বাতিল করে পুনরায় নিয়োগের দাবি উঠেছে। আবার কোথাও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও রাজনৈতিক তদবিরের কারণে বাদ পড়ার অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা। ‘সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করেই ফল প্রকাশ করা হয়েছে। কারও নিয়োগে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে’—ইউএনও অভিযোগের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) বলছেন, নির্ধারিত নীতিমালা অনুস
- উত্তীর্ণ হয়েও ‘রাজনৈতিক তদবির’ বাদ পড়ার অভিযোগ
- যোগ্যদের ‘মূল্যায়ন’ করার দাবি বিএনপির
- নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ: প্রশাসন
- জনবল নিয়োগের ফল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ
দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের আলোচিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’। প্রকৃত সুবিধাভোগী পরিবার শনাক্ত করতে তথ্যভান্ডার তৈরির কাজ শুরুর আগেই এ কর্মসূচির মাঠপর্যায়ের জনবল নিয়োগ নিয়ে রাজশাহীতে দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক। জেলার কয়েকটি উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাতিত্ব এবং যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
কয়েকটি উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন। কোথাও নিয়োগের ফল বাতিল করে পুনরায় নিয়োগের দাবি উঠেছে। আবার কোথাও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও রাজনৈতিক তদবিরের কারণে বাদ পড়ার অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা।
‘সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করেই ফল প্রকাশ করা হয়েছে। কারও নিয়োগে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে’—ইউএনও
অভিযোগের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) বলছেন, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে একই সময়ে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকেও নিজেদের কর্মীদের ‘মূল্যায়ন’ করার দাবি ওঠায় পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গোদাগাড়ীতে বিক্ষোভ
রোববার (৯ আগস্ট) গোদাগাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম ও রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমাবেশ শেষে তারা ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাইয়ের দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নিয়োগে যোগ্যতা ও মেধার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয় এবং সুপারিশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তানোরে তালিকা প্রকাশের পর বিতর্ক
তানোরে ৯৬ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৯ জন সুপারভাইজার নিয়োগের তালিকা প্রকাশের পর শুরু হয় নতুন বিতর্ক। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ না করে একটি পক্ষের প্রভাব ও সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে যে নিয়োগ পরীক্ষা সেটা এক ধরনের ধোঁয়াশা। যারা প্রকৃত মেধাবী তাদের সেখানে মূল্যায়িত করা হয়নি। তালিকায় এমন মানুষের নাম এসেছে যারা অত্র এলাকার কেউ না। আগে ভেবেছিলাম শুধু চারঘাটে আন্দোলন হচ্ছে, এখন দেখি সারা দেশেই ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে। এখানে সরকারবিরোধী কারও হাত আছে। কারণ তালিকায় সরকারের নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি’—ছাত্রদল নেতা
সোমবার (১০ আগস্ট) উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে তারা নিয়োগের তালিকা বাতিল করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের দাবি জানান। একইসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খানের অপসারণের দাবিও তোলা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউএনও নাঈমা খান বলেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করেই ফল প্রকাশ করা হয়েছে। কারও নিয়োগে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগমারায়ও পক্ষপাতের অভিযোগ
বাগমারায়ও একই ধরনের অভিযোগে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মানববন্ধন করেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এজন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ তোলেন তারা।
জানতে চাইলে বাঘমারা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘যারা আবেদন করেছেন তারা অনেকেই বঞ্চিত। আন্দোলনকারীদের মতে এ তালিকায় স্বচ্ছতা নেই, মেধার মূল্যায়ন নেই। যারা লিখিত পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি, তাদের নামও সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আবার কারও নাম সুপারভাইজারেও আছে, আবার তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবেও আছে। একই ব্যক্তির নাম দুই জায়গায় আসে কীভাবে? এ নিয়ে বাঘমারায় সাধারণ মানুষ আন্দোলন করে। সেখানে বিএনপিরও অনেকেই ছিলেন, যারা মেধা থাকা সত্ত্বেও বঞ্চিত হয়েছেন।’
‘যারা যোগ্য তাদেরই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে কোনো নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে তালিকায় হেরফের করলে কিছুটা অনিয়ম হতে পারে। এখানে যারা যোগ্য, মেধাবী ও কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ, তাদেরই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। কারণ যোগ্য ব্যক্তিরা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হলে যারা ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার কথা, তারা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন’—বিএনপি নেতা
অভিযোগ অস্বীকার করে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে নীতিমালা অনুসরণ করে করা হয়েছে। এখানে পক্ষপাতিত্ব করার সুযোগ নেই।
চারঘাটে উত্তীর্ণ হয়েও বাদ পড়ার অভিযোগ
চারঘাটে নিয়োগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন প্রার্থী। তাদের অভিযোগ, লিখিত পরীক্ষা ও অন্যান্য ধাপ পেরিয়েও রাজনৈতিক তদবিরের কারণে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীদের একটি অংশ এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক তদবির ছাড়া যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি রাজশাহী মহিলা কলেজের একজন অনার্স শিক্ষার্থীকে ঘিরে। তাকে ‘মাদকাসক্ত’ আখ্যা দিয়ে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের দাবি, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
চারঘাট উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান বলেন, গোয়েন্দা তদন্ত প্রতিবেদনে ওই শিক্ষার্থীকে ‘মাদকাসক্ত’ বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে চারঘাট উপজেলার ছাত্রদল নেতা রেজওয়ান গাজী জাগো নিউজকে বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে যে নিয়োগ পরীক্ষা সেটা এক ধরনের ধোঁয়াশা। যারা প্রকৃত মেধাবী তাদেরকে সেখানে মূল্যায়িত করা হয়নি। তালিকায় এমন মানুষের নাম এসেছে যারা অত্র এলাকার কেউ না। আগে ভেবেছিলাম শুধু চারঘাটে আন্দোলন হচ্ছে, এখন দেখি সারাদেশেই ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে। এখানে সরকারবিরোধী কারও হাত আছে। কারণ তালিকায় সরকারের নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।’
জানতে চাইলে চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অবৈধভাবে কাউকে নিয়োগবঞ্চিত করা হয়নি। কেউ ব্যক্তিগতভাবে কোনো অভিযোগ করে থাকলে তা তার জানা নেই।
বাঘায় পরীক্ষা থেকেই বিতর্ক
বাঘায় নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে বিতর্ক শুরু হয় পরীক্ষার সময় থেকেই। প্রার্থীদের একাংশ দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগ ও সার্ভার জটিলতার অভিযোগ তোলেন। ফল প্রকাশের পর বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ করেন। এরপর ফলাফল স্থগিত ও আবেদনের সময় বাড়ানো হয়। একই সময়ে ইউএনওকে বদলি করা হয়। তবে বাঘার ইউএনওকে বদলির সঙ্গে বিক্ষোভের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার। তার বক্তব্য, ইউএনওর বদলি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ।
রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন
রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলার ঘটনাগুলো একসঙ্গে পর্যালোচনা করলে ফ্যামিলি কার্ডের মাঠপর্যায়ের জনবল নিয়োগ এখন আর শুধু চাকরিপ্রার্থীদের বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই। এটি রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
একদিকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের নিয়োগের অভিযোগ করছেন, অন্যদিকে বিএনপি ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও নিজেদের কর্মীদের ‘মূল্যায়ন’ করার দাবি ওঠার অভিযোগ রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক পরিচয় আদৌ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ভূমিকা রাখছে কি না—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে।
রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাঠপর্যায়ের জনবল নিয়োগে কোনো দলের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় এলে কর্মসূচিটির নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। বিশেষ করে যে কর্মসূচির মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও নিম্নআয়ের প্রকৃত সুবিধাভোগীদের শনাক্ত করা, সেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সার্বিক বিষয়ে বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহীন শওকত জাগো নিউজকে বলেন, ‘যারা যোগ্য তাদেরই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে কোনো নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে তালিকায় হেরফের করলে কিছুটা অনিয়ম হতে পারে। এখানে যারা যোগ্য, মেধাবী ও কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ, তাদেরই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। কারণ যোগ্য ব্যক্তিরা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হলে যারা ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার কথা, তারা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন।’
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাজী শহীদুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বিষয়টি দেখেছেন। তবে ইউএনওদের নিয়োগের সম্পূর্ণ নীতিমালা অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তারা সেটিই করছেন। এখানে অনিয়ম করার সুযোগ নেই।
তবে তিনি মনে করেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জনবল নিয়োগের আবেদন মন্ত্রণালয় থেকে অনলাইনের মাধ্যমে করা হলে প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো।
এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?







