ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগ পেলেন নারী ইউপি সদস্য
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে একজন নারী ইউপি সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধিকে এ ধরনের পদে নিয়োগ দেওয়ায় নিয়োগের নীতিমালা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য রেহানা বেগমকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়েছে। তার সিরিয়াল নম্বর ১১। তবে একজন নির্বাচিত ইউপি সদস্য একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় সে বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকলে উপকারভোগী নির্বাচন ও তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এ কারণে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত যোগ্যতা ও নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা। বিষয়টি জানতে রেহানা বেগমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। ফোন ধরার ব্যক্তি প্রথমে নিজেকে রেহানা বেগম পরিচয়
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে একজন নারী ইউপি সদস্যকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধিকে এ ধরনের পদে নিয়োগ দেওয়ায় নিয়োগের নীতিমালা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য রেহানা বেগমকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়েছে। তার সিরিয়াল নম্বর ১১। তবে একজন নির্বাচিত ইউপি সদস্য একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় সে বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকলে উপকারভোগী নির্বাচন ও তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এ কারণে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত যোগ্যতা ও নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
বিষয়টি জানতে রেহানা বেগমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। ফোন ধরার ব্যক্তি প্রথমে নিজেকে রেহানা বেগম পরিচয় দিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে মনোনীত হওয়ার কথা স্বীকার করেন। পরে সাংবাদিক পরিচয় জানানো হলে তিনি বলেন, ‘আমি রেহানা বেগমের আত্মীয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী একজন ইউপি সদস্য ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হতে পারবেন কি না, তা যাচাই করে দেখা হবে।
ইউএনও বলেন, আইন বা নীতিমালা অনুযায়ী এটি বৈধ না হলে তাকে বাদ দিয়ে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে অন্য কাউকে নেওয়া হবে।
রোকনুজ্জামান মানু/কেএইচকে
What's Your Reaction?