ফ্রান্সের বিপক্ষে মহারণের আগে মরক্কোর সাংবাদিক সম্মেলনে হাতাহাতি

ফ্রান্সের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণকে সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন মরক্কোর তারকা খেলোয়াড় ব্রাহিম দিয়াজ। অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনায় তাকে বক্তব্য থামিয়ে দিতে হয়। সাংবাদিক জেএস গ্রন্ড-ট্রানের পোস্ট করা একটি ভিডিওতে উঠে এসেছে সেই ঘটনা। মরক্কোর ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনের সময় দুই সাংবাদিকের মধ্যে এক অপ্রত্যাশিত বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এর ফলে দিয়াজকে সাময়িকভাবে তার বক্তব্য থামিয়ে দিতে হয়। ​ভিডিওর শুরুতে দেখা যায়, দিয়াজ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গণমাধ্যমের উদ্দেশে কথা বলছেন। ঠিক তখনই হঠাৎ পুরো কক্ষে চড়া গলার আওয়াজ শোনা যায়। ঝগড়াটি আরও তীব্র হয়ে উঠলে দিয়াজ তার বক্তব্য থামিয়ে দেন এবং বেশ বিভ্রান্ত হয়ে যেদিক থেকে হট্টগোল আসছিল সেদিকে তাকান। এরপর ক্যামেরাটি সেই ঘটনার দিকে ঘোরানো হলে দেখা যায়, পেছনের সারিতে বসা দুই সাংবাদিক একে অপরের সাথে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের এই উচ্চস্বরের তর্কাতর্কি সেখানে উপস্থিত অন্য গণমাধ্যমকর্মীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। সেই কথার লড়াই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রূপ নেয় হাতাহাতিতে। শেষ পর্যন্ত কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে দুই সাংবাদিককে আলাদা করা হয়।  পরিস্থিতির বর্ণনা

ফ্রান্সের বিপক্ষে মহারণের আগে মরক্কোর সাংবাদিক সম্মেলনে হাতাহাতি
ফ্রান্সের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণকে সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন মরক্কোর তারকা খেলোয়াড় ব্রাহিম দিয়াজ। অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনায় তাকে বক্তব্য থামিয়ে দিতে হয়। সাংবাদিক জেএস গ্রন্ড-ট্রানের পোস্ট করা একটি ভিডিওতে উঠে এসেছে সেই ঘটনা। মরক্কোর ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনের সময় দুই সাংবাদিকের মধ্যে এক অপ্রত্যাশিত বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এর ফলে দিয়াজকে সাময়িকভাবে তার বক্তব্য থামিয়ে দিতে হয়। ​ভিডিওর শুরুতে দেখা যায়, দিয়াজ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গণমাধ্যমের উদ্দেশে কথা বলছেন। ঠিক তখনই হঠাৎ পুরো কক্ষে চড়া গলার আওয়াজ শোনা যায়। ঝগড়াটি আরও তীব্র হয়ে উঠলে দিয়াজ তার বক্তব্য থামিয়ে দেন এবং বেশ বিভ্রান্ত হয়ে যেদিক থেকে হট্টগোল আসছিল সেদিকে তাকান। এরপর ক্যামেরাটি সেই ঘটনার দিকে ঘোরানো হলে দেখা যায়, পেছনের সারিতে বসা দুই সাংবাদিক একে অপরের সাথে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের এই উচ্চস্বরের তর্কাতর্কি সেখানে উপস্থিত অন্য গণমাধ্যমকর্মীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। সেই কথার লড়াই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রূপ নেয় হাতাহাতিতে। শেষ পর্যন্ত কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে দুই সাংবাদিককে আলাদা করা হয়।  পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, বিতর্কের এক পর্যায়ে এক সাংবাদিক চিৎকার করে বলেন, ‘তুমি আমার গায়ে হাত তুললে কেন? তুমি কোনভাবেই আমাকে মারতে পারো না।’ আয়োজকদের হস্তক্ষেপে ওই হাতাহাতি থামে। এরপর দিয়াজ়কে তার প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি প্রশ্নটাই ভুলে গিয়েছি।’ পরে মরক্কোর কোচ মোহম্মদ ওয়াহবি বলেন, ‘ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে লুকানোর কিছু নেই। আমরা কীভাবে খেলতে চাই, সেটা সবাই আগের ম্যাচগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন।’  ফ্রান্সের খেলার ধরন সম্পর্কেও পরিষ্কার ধারনা আছে বলে দাবি করেন ওয়াহবি। তার মতে, যারা মাঠে পরিকল্পনা ঠিক মতো কাজে লাগাতে পারবে, শেষ পর্যন্ত জিতবে তারাই। এছাড়া কাতার বিশ্বকাপের সেই ম্যাচের সঙ্গে এই ম্যাচের কোন মিল নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি, ‘প্রতিটি ম্যাচই আলাদা। আমাদের এবারের দলও আলাদা, ফ্রান্সও ভিন্ন দল। দুই দলই আরও শক্তিশালী হয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow