বইমেলার প্রতিবেদনে বৈচিত্র্যের আহ্বান পিআইবির
বইমেলা ও প্রকাশনা শিল্প বিষয়ে গতানুগতিক প্রচারণামূলক লেখার বাইরে গিয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ, তথ্যভিত্তিক, সমালোচনামূলক ও সৃজনশীল প্রতিবেদন তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে সোমবার (০২ মার্চ) ও মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুই দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা আয়োজন করে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। ‘একুশের কর্মশালা: গণমাধ্যমে বইমেলা’ শীর্ষক কর্মশালাটি সোমবার ও মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার সমাপনী দিনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণের মাধ্যমে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। তিনি বলেন, বইমেলার প্রতিবেদন তৈরিতে শুধু প্রচারণামূলক দৃষ্টিভঙ্গি নয়, বরং মেলার বহুমাত্রিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চরিত্র তুলে ধরা জরুরি। তার মতে, বইমেলার একটি সমষ্টিগত বা এজমালি চরিত্র রয়েছে, যা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তিনি আরও বলেন, বাংলা একাডেমি আয়োজিত বইমেলা কেন্দ্র করে প্রতি বছর প্রকাশনা শিল্পে বড় ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি হয়। তাই গণমাধ্যমের উচিত বইমেলা কভারেজে অনুসন্ধানী ও বিশ্লে
বইমেলা ও প্রকাশনা শিল্প বিষয়ে গতানুগতিক প্রচারণামূলক লেখার বাইরে গিয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ, তথ্যভিত্তিক, সমালোচনামূলক ও সৃজনশীল প্রতিবেদন তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে সোমবার (০২ মার্চ) ও মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুই দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা আয়োজন করে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
‘একুশের কর্মশালা: গণমাধ্যমে বইমেলা’ শীর্ষক কর্মশালাটি সোমবার ও মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার সমাপনী দিনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণের মাধ্যমে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। তিনি বলেন, বইমেলার প্রতিবেদন তৈরিতে শুধু প্রচারণামূলক দৃষ্টিভঙ্গি নয়, বরং মেলার বহুমাত্রিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চরিত্র তুলে ধরা জরুরি। তার মতে, বইমেলার একটি সমষ্টিগত বা এজমালি চরিত্র রয়েছে, যা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
তিনি আরও বলেন, বাংলা একাডেমি আয়োজিত বইমেলা কেন্দ্র করে প্রতি বছর প্রকাশনা শিল্পে বড় ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সৃষ্টি হয়। তাই গণমাধ্যমের উচিত বইমেলা কভারেজে অনুসন্ধানী ও বিশ্লেষণধর্মী সাংবাদিকতার ধারা শক্তিশালী করা।
কর্মশালার সমন্বয়কারী গোলাম মুর্শেদ বলেন, বইমেলা, প্রকাশনা ব্যবসা, মুদ্রণ শিল্প এবং সাহিত্য সাংবাদিকতার মানোন্নয়নই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তার মতে, বইমেলা শুধু সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, এটি ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও জাতীয় পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
কর্মশালায় রিসোর্সপারসন হিসেবে ছিলেন সাংবাদিক ও লেখক এমরান মাহফুজ, আশীষ-উর-রহমান এবং কবি, অনুবাদক ও সাহিত্যিক জাভেদ হুসেন। তারা বইমেলা কভারেজের নতুন ধারণা, পেশাদার বই পর্যালোচনা লেখা, লেখক ও প্রকাশকের সাক্ষাৎকার গ্রহণের কৌশল, সাহিত্য সাংবাদিকতার নৈতিকতা এবং ডিজিটাল যুগে সাহিত্য প্রতিবেদনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সাংবাদিক ও ফিচার লেখকদের উদ্দেশে বলা হয়, বইমেলা কেবল বই বিক্রির আয়োজন নয়; এটি জ্ঞানচর্চা, সংস্কৃতি বিকাশ এবং সৃজনশীল শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বই ও সাহিত্য বিষয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা আরও সমৃদ্ধ হবে এবং পাঠকসমাজ নির্ভুল ও প্রাসঙ্গিক তথ্য পাওয়ার সুযোগ পাবে।
What's Your Reaction?