বগুড়া সিটি করপোরেশনের ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
নাগরিকদের ওপর বাড়তি কর আরোপ না করেই পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক মহানগর গড়ে তুলতে চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) জন্য ১ হাজার ৪১৭ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৭ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশন। এতে শহরের উন্নয়নে ২৮টি অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে বগুড়া নগরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে এই বাজেট ঘোষণা করেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন।
বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধালন সম্পাদক মোশারফ হোসেন।
বাজেট ঘোষণায় বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন বলেন, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্য কাটিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম আধুনিক মহানগরে রূপান্তর করাই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য।
বাজেটে সিটি করপোরেশনের জন্য প্রথমবারের মতো মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন, আধুনিক ‘নগর ভবন’ নির্মাণ, সুবিল খাল ও করতোয়া নদী পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং রাস্তা, ড্রেন ও ফুটপাত পুনর্নির্মাণকে সর্বোচ্
নাগরিকদের ওপর বাড়তি কর আরোপ না করেই পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক মহানগর গড়ে তুলতে চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) জন্য ১ হাজার ৪১৭ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৭ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশন। এতে শহরের উন্নয়নে ২৮টি অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে বগুড়া নগরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে এই বাজেট ঘোষণা করেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন।
বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধালন সম্পাদক মোশারফ হোসেন।
বাজেট ঘোষণায় বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন বলেন, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্য কাটিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম আধুনিক মহানগরে রূপান্তর করাই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য।
বাজেটে সিটি করপোরেশনের জন্য প্রথমবারের মতো মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন, আধুনিক ‘নগর ভবন’ নির্মাণ, সুবিল খাল ও করতোয়া নদী পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং রাস্তা, ড্রেন ও ফুটপাত পুনর্নির্মাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ফুটপাত দখলমুক্ত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও বগুড়া ওয়াসা গঠন, বহুতল ‘সপ্তপদী’ শপিং মল নির্মাণ, সাতমাথাসহ চারটি আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ এবং নগরজুড়ে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
যানজট নিরসনে লাইসেন্সবিহীন অটোরিকশা নিবন্ধন, গুরুত্বপূর্ণ সড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপন, গাড়ি পার্কিং স্ট্যান্ড নির্মাণ এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট, পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার (এফএসটিপি) স্থাপন ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে সিবিওগুলোকে আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিবেশ সুরক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে প্রতি বছর ৫০ হাজার গাছ রোপণ, এডওয়ার্ড পার্ক, শহীদ খোকন পার্ক ও নীলসাগর দীঘির আধুনিকায়ন এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে শিশু পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নাগরিক সেবা ডিজিটাল করতে ডি-নথি চালু, সব সেবা অনলাইনে নিয়ে আসা, নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু, মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার, নারী ও প্রতিবন্ধীদের প্রশিক্ষণ ও সহায়তা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি এবং আধুনিক কসাইখানা চালুর উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন বলেন, নগরবাসীর সহযোগিতা নিয়ে বগুড়াকে একটি পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত মহানগর হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। এজন্য গণমাধ্যমসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।