বগুড়ায় চিকিৎসার নামে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ, ভণ্ড কবিরাজ গ্রেপ্তার
বগুড়া শহরে চিকিৎসার কথা বলে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে হাকিম রেজাউল করিম (৪০) নামে এক কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রেজাউল করিম বগুড়া সদর থানার নামাজগড় এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী। বেশ কিছুদিন ধরে সে অসুস্থ বোধ করায় পরিবারের পক্ষ থেকে কবিরাজি চিকিৎসার শরণাপন্ন হওয়া হয়। অভিযুক্ত রেজাউল করিম ওই কিশোরীর ওপর ‘জ্বীনের আছর’ রয়েছে বলে দাবি করেন এবং ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন। গত মঙ্গলবার চিকিৎসার নাম করে রেজাউল ওই কিশোরীকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। ঝাড়ফুঁকের অজুহাতে তিনি পরিবারের সদস্যদের ঘরের বাইরে যেতে বলেন এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে ওই নির্জন কক্ষে চিকিৎসার পরিবর্তে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। ঘটনার পর কিশোরী কান্নাকাটি শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং দ্রুত পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযানে নামে পুলিশ এবং অভিযুক্তকে তার নি
বগুড়া শহরে চিকিৎসার কথা বলে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে হাকিম রেজাউল করিম (৪০) নামে এক কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত রেজাউল করিম বগুড়া সদর থানার নামাজগড় এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী। বেশ কিছুদিন ধরে সে অসুস্থ বোধ করায় পরিবারের পক্ষ থেকে কবিরাজি চিকিৎসার শরণাপন্ন হওয়া হয়।
অভিযুক্ত রেজাউল করিম ওই কিশোরীর ওপর ‘জ্বীনের আছর’ রয়েছে বলে দাবি করেন এবং ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন। গত মঙ্গলবার চিকিৎসার নাম করে রেজাউল ওই কিশোরীকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। ঝাড়ফুঁকের অজুহাতে তিনি পরিবারের সদস্যদের ঘরের বাইরে যেতে বলেন এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে ওই নির্জন কক্ষে চিকিৎসার পরিবর্তে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। ঘটনার পর কিশোরী কান্নাকাটি শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং দ্রুত পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযানে নামে পুলিশ এবং অভিযুক্তকে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি। কিশোরীটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্নের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এদিকে এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত ভণ্ড কবিরাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?