বগুড়ায় ছাত্রদল নেতা ছুরিকাঘাতে আহত
বগুড়ার নন্দীগ্রামে নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিলকে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়েছে। পৌর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিনসহ ১০-১৫ জন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার সময় নন্দীগ্রাম শহর বাসস্ট্যান্ডে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। আকস্মিক হামলা চালিয়ে শাকিলকে বেধড়ক মারপিটের পর রক্তাক্ত করে ফেলে যায় অভিযুক্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত ফিরোজ আহমেদ শাকিল শহরের মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ও পৌর শহরের মাঝগ্রাম মহল্লার শফিকুল ইসলামের ছেলে। হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিবুল হাসান পলিন পৌর জাসদ সাংগঠনিক সম্পাদক মাঝগ্রাম মহল্লার আব্দুর রউফ স্ট্যালিনের ছেলে। শাকিল ও পলিনের মধ্যে দলের নেতৃত্ব নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। ঘটনার আগে এক তরুণীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করে কলেজ ছাত্রদল সভাপতি শাকিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেও হামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, খবর পেয়ে রাত ১১টার সময় হাসপাতালে ছুটে যান জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ম
বগুড়ার নন্দীগ্রামে নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিলকে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়েছে। পৌর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিনসহ ১০-১৫ জন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার সময় নন্দীগ্রাম শহর বাসস্ট্যান্ডে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। আকস্মিক হামলা চালিয়ে শাকিলকে বেধড়ক মারপিটের পর রক্তাক্ত করে ফেলে যায় অভিযুক্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত ফিরোজ আহমেদ শাকিল শহরের মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ও পৌর শহরের মাঝগ্রাম মহল্লার শফিকুল ইসলামের ছেলে।
হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত রাকিবুল হাসান পলিন পৌর জাসদ সাংগঠনিক সম্পাদক মাঝগ্রাম মহল্লার আব্দুর রউফ স্ট্যালিনের ছেলে।
শাকিল ও পলিনের মধ্যে দলের নেতৃত্ব নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। ঘটনার আগে এক তরুণীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করে কলেজ ছাত্রদল সভাপতি শাকিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেও হামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, খবর পেয়ে রাত ১১টার সময় হাসপাতালে ছুটে যান জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন এমপি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হামলায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তরা দলের কেউ হলেও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড প্রশ্রয় দেওয়ার সুযোগ নেই। অবশ্যই সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অঝোরে কেঁদে কেঁদে হামলায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন আহত শাকিলের মা ফিরোজা বেগম।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বিষয়টি জেনেছি। তবে এখনও কেউ অভিযোগে দেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?