বগুড়ায় জঙ্গল থেকে বিপুল অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩
বগুড়া সদর উপজেলার বাঘোপাড়া এলাকায় করতোয়া নদীর তীরে জঙ্গল ও ঝোপঝাড়ের ভেতরে তাঁবু টাঙিয়ে গড়ে তোলা একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় বিদেশি পিস্তল, একাধিক দেশীয় অস্ত্র, শকার মেশিন ও বিপুল মাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ডিবির তিনটি পৃথক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার মহিষবাথান এলাকার রতন তালুকদার ছেলে রকি তালুকদার (৩০) এবং উপশহর স্নিগ্ধা আবাসিক এলাকার শাহিন মণ্ডলের ছেলে রাকিব মণ্ডল (২৮)। অন্যজন দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১৬)। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার নাম প্রকাশ করেনি ডিবি। রকির বিরুদ্ধে একাধিক এবং রাকিবের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও দ্রুত বিচার আইনসহ ৭টি মামলা রয়েছে। জানা গেছে, শহরের লোকালয় থেকে দেড় থেকে ২ কিলোমিটার দূরে বাঘোপাড়ায় টিএমএসএস পেপার মিলের পেছনে করতোয়া নদীর পাড়ে জঙ্গল দিয়ে ঘেরা স্থানে তাঁবু টাঙিয়ে অস্থায়ী আস্তানা গড়ে তোলে চক্রটি। নির্জন স্থান হওয়ায় তারা নির্বিঘ্নে মাদক বিক্রি, মানুষকে জিম্মি ও অপহরণ, ইলেকট্রিক শকার দিয়ে নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় এবং হানি ট্র্যাপসহ না
বগুড়া সদর উপজেলার বাঘোপাড়া এলাকায় করতোয়া নদীর তীরে জঙ্গল ও ঝোপঝাড়ের ভেতরে তাঁবু টাঙিয়ে গড়ে তোলা একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় বিদেশি পিস্তল, একাধিক দেশীয় অস্ত্র, শকার মেশিন ও বিপুল মাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ডিবির তিনটি পৃথক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বগুড়া সদর উপজেলার মহিষবাথান এলাকার রতন তালুকদার ছেলে রকি তালুকদার (৩০) এবং উপশহর স্নিগ্ধা আবাসিক এলাকার শাহিন মণ্ডলের ছেলে রাকিব মণ্ডল (২৮)। অন্যজন দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১৬)। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার নাম প্রকাশ করেনি ডিবি। রকির বিরুদ্ধে একাধিক এবং রাকিবের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও দ্রুত বিচার আইনসহ ৭টি মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, শহরের লোকালয় থেকে দেড় থেকে ২ কিলোমিটার দূরে বাঘোপাড়ায় টিএমএসএস পেপার মিলের পেছনে করতোয়া নদীর পাড়ে জঙ্গল দিয়ে ঘেরা স্থানে তাঁবু টাঙিয়ে অস্থায়ী আস্তানা গড়ে তোলে চক্রটি। নির্জন স্থান হওয়ায় তারা নির্বিঘ্নে মাদক বিক্রি, মানুষকে জিম্মি ও অপহরণ, ইলেকট্রিক শকার দিয়ে নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় এবং হানি ট্র্যাপসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। অভিযানে অংশ নেওয়া দলটিকে দেখে চক্রের ৫ সদস্যের মধ্যে অন্য দুই সদস্য নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান।
এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছে থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, তিনটি চাইনিজ কুড়াল, দুটি বড় ছোরা, একটি বার্মিজ চাকু, একটি ইলেকট্রিক শকার মেশিন ও লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল, নগদ টাকা, চারটি বাটন ফোন ও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
অভিযানের বিষয়ে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। চক্রটির মূলহোতা রকি ও তার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড রাকিবসহ তিনজনকে আমরা হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের আস্তানায় বিপুল দেশি-বিদেশি অস্ত্র পাওয়া গেছে। এরমধ্যে একটি রিভলবার ও ৩৫ হাজার ভোল্টের একটি ইলেকট্রিক শকার মেশিন পাওয়া গেছে, যা দিয়ে মানুষকে ভয় দেখিয়ে নির্যাতন করা হতো।
ওসি ইকবাল বাহার আরও জানান, বগুড়া শহরকে অপরাধমুক্ত রাখতে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পালিয়ে যাওয়া বাকি সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
What's Your Reaction?