বগুড়ায় বিস্ফোরক মামলায় আওয়ামী লীগের ৩ নেতা গ্রেপ্তার

বগুড়ার শেরপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল থেকে শনিবার (১ আগস্ট) ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শেরপুর উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম রানজু (৬০), শেরপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু আরফান (৬০) এবং কুসুম্বী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল বাছেদ (৬৪)। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীন শেরপুর পৌরসভাধীন খেজুরতলা এলাকায় উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে।  অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের বেধড়ক মারধর করে। এ সময় তারা দলীয় কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শেরপ

বগুড়ায় বিস্ফোরক মামলায় আওয়ামী লীগের ৩ নেতা গ্রেপ্তার
বগুড়ার শেরপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল থেকে শনিবার (১ আগস্ট) ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শেরপুর উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম রানজু (৬০), শেরপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু আরফান (৬০) এবং কুসুম্বী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল বাছেদ (৬৪)। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ নভেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীন শেরপুর পৌরসভাধীন খেজুরতলা এলাকায় উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে।  অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের বেধড়ক মারধর করে। এ সময় তারা দলীয় কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শেরপুর থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলাম রানজু ওই মামলার এজাহারনামীয় এবং আবু আরফান ও আব্দুল বাছেদ তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রানজুকে বারোদুয়ারি পাড়া, আবু আরফানকে টাউন কলোনী এবং আব্দুল বাছেদকে টুনিপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মইনুদ্দিন জানান, শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাদের। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow