বগুড়ায় রাতে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের ঘটনায় জামায়াত নেতা আটক
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে একটি ভোটকেন্দ্রে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে শহরের ভান্ডারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম নাসিরুল ইসলাম। তিনি বগুড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি বলে জানা গেছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ চন্দ্র সরকার জানান, রাত ১০টার দিকে খবর আসে ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি ভান্ডারী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশ করেছেন। তাৎক্ষণিক সেখানে অভিযান চালিয়ে নাসিরুলকে আটক করা হয়। আটক ওই ব্যক্তি দাবি করেছেন, তিনি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টের তালিকা দিতে এসেছিলেন। তবে ম্যাজিস্ট্রেট জানান, রাতে কেন্দ্রে তালিকা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। পলাশ চন্দ্র সরকার আরও বলেন, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাথমিক মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে জামায়াত নেতাকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বগুড়া শহর জামায়াতের যুব বিভাগ
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে একটি ভোটকেন্দ্রে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে শহরের ভান্ডারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম নাসিরুল ইসলাম। তিনি বগুড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি বলে জানা গেছে।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ চন্দ্র সরকার জানান, রাত ১০টার দিকে খবর আসে ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি ভান্ডারী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশ করেছেন। তাৎক্ষণিক সেখানে অভিযান চালিয়ে নাসিরুলকে আটক করা হয়।
আটক ওই ব্যক্তি দাবি করেছেন, তিনি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টের তালিকা দিতে এসেছিলেন। তবে ম্যাজিস্ট্রেট জানান, রাতে কেন্দ্রে তালিকা দেওয়ার কোনো বিধান নেই।
পলাশ চন্দ্র সরকার আরও বলেন, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাথমিক মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে জামায়াত নেতাকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বগুড়া শহর জামায়াতের যুব বিভাগের সম্পাদক আব্দুস সালাম তুহিনের দাবি, শুধু পোলিং এজেন্টের নামের তালিকা দিতে তাঁদের কর্মীরা প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে বিএনপি নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে একটি মব বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করে তাঁদের নেতাকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছেন।
What's Your Reaction?