বঙ্গোপসাগরে ধরা ২৫ মণের করাতি মাছ ঝালকাঠিতে আড়াই লাখে বিক্রি

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বঙ্গোপসাগরের দানব খ্যাত একটি বিশাল আকৃতির করাতি মাছ (খটক মাছ)। আনুমানিক ২৫ মণ ওজনের এই মাছটি স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছটি ধরে কাঠালিয়ার আমুয়া মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন একদল জেলে। পরে সেখানে নিলামে মাছটি আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। স্থানীয় জেলেরা জানান কাঠালিয়া উপজেলা বঙ্গোপসাগর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় এখানকার অনেক জেলে নিয়মিত গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। তেমনই একটি দল সমুদ্র থেকে ফিরে এলে তাদের জালে ধরা পড়ে বিশাল আকারের এই করাতি মাছটি। নিলামে মাছটি কিনে নেন আমুয়ার মাছের আড়তদার আব্দুল হাই সরদার। পরে বেশি দামে বিক্রির আশায় তিনি মাছটি ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে করে পিরোজপুরের পারেরহাট মৎস্য বন্দরে নিয়ে যান। আব্দুল হাই সরদার বলেন, দীর্ঘদিন পর এমন বড় মাছ ধরা পড়ায় জেলে পরিবারগুলোর মধ্যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাছটি দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। পরবর্তীতে মাছটি কেটে খণ্ডখণ্ড করে বিক্রি করা হবে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের বড় আকৃতির মাছ খুব কমই ধরা পড়ে, ফলে বিষয়টি এলাকায় কৌতূহলের স

বঙ্গোপসাগরে ধরা ২৫ মণের করাতি মাছ ঝালকাঠিতে আড়াই লাখে বিক্রি

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বঙ্গোপসাগরের দানব খ্যাত একটি বিশাল আকৃতির করাতি মাছ (খটক মাছ)। আনুমানিক ২৫ মণ ওজনের এই মাছটি স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছটি ধরে কাঠালিয়ার আমুয়া মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন একদল জেলে। পরে সেখানে নিলামে মাছটি আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।

স্থানীয় জেলেরা জানান কাঠালিয়া উপজেলা বঙ্গোপসাগর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় এখানকার অনেক জেলে নিয়মিত গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। তেমনই একটি দল সমুদ্র থেকে ফিরে এলে তাদের জালে ধরা পড়ে বিশাল আকারের এই করাতি মাছটি।

নিলামে মাছটি কিনে নেন আমুয়ার মাছের আড়তদার আব্দুল হাই সরদার। পরে বেশি দামে বিক্রির আশায় তিনি মাছটি ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে করে পিরোজপুরের পারেরহাট মৎস্য বন্দরে নিয়ে যান।

আব্দুল হাই সরদার বলেন, দীর্ঘদিন পর এমন বড় মাছ ধরা পড়ায় জেলে পরিবারগুলোর মধ্যে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাছটি দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। পরবর্তীতে মাছটি কেটে খণ্ডখণ্ড করে বিক্রি করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের বড় আকৃতির মাছ খুব কমই ধরা পড়ে, ফলে বিষয়টি এলাকায় কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।

মো. আমিন হোসেন/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow