বছরে অন্তত ২ যুদ্ধজাহাজ তৈরি করতে চান কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতি বছর অন্তত দুটি করে ৫ হাজার টন ওজনের যুদ্ধজাহাজ তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) নতুন ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ চো হিয়ন কমিশনিং অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ। নামপো বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কিম জং উন বলেন, দেশটির নৌবাহিনীকে দ্রুত আধুনিক ও শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত করতে হবে। তিনি জানান, ৫ হাজার টন ওজনের আরেকটি ডেস্ট্রয়ার কাং কোন শিগগিরই মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি ১০ হাজার টনের কৌশলগত যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। উল্লেখ্য, কাং কোন যুদ্ধজাহাজটি গত বছর উদ্বোধনের সময় আংশিকভাবে উল্টে গিয়েছিল। পরে সেটি মেরামত করা হয়। কিম জং উন বলেন, এতদিন উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে দুর্বল অংশ ছিল নৌবাহিনী। তবে এখন এর সক্ষমতা “কল্পনারও বাইরে” পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, আধুনিক নৌঘাঁটি নির্মাণ এখন অত্যন্ত জরুরি ও অপরিহার্য কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ লক্ষ্যে ক্ষমতাসীন পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিমের মতে, উত্তর কোরিয়

বছরে অন্তত ২ যুদ্ধজাহাজ তৈরি করতে চান কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতি বছর অন্তত দুটি করে ৫ হাজার টন ওজনের যুদ্ধজাহাজ তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) নতুন ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ চো হিয়ন কমিশনিং অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ।

নামপো বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কিম জং উন বলেন, দেশটির নৌবাহিনীকে দ্রুত আধুনিক ও শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত করতে হবে। তিনি জানান, ৫ হাজার টন ওজনের আরেকটি ডেস্ট্রয়ার কাং কোন শিগগিরই মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি ১০ হাজার টনের কৌশলগত যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

উল্লেখ্য, কাং কোন যুদ্ধজাহাজটি গত বছর উদ্বোধনের সময় আংশিকভাবে উল্টে গিয়েছিল। পরে সেটি মেরামত করা হয়।

কিম জং উন বলেন, এতদিন উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে দুর্বল অংশ ছিল নৌবাহিনী। তবে এখন এর সক্ষমতা “কল্পনারও বাইরে” পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক নৌঘাঁটি নির্মাণ এখন অত্যন্ত জরুরি ও অপরিহার্য কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ লক্ষ্যে ক্ষমতাসীন পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

কিমের মতে, উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হবে এর মর্যাদা, ভূমিকা ও কার্যক্রমের পরিধিতে। যদিও এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

এছাড়া তিনি বলেন, দেশটির নৌবাহিনীকে পারমাণবিক সক্ষম করে তোলার কাজ নিজস্ব গতিতে এগিয়ে চলছে এবং এটি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ শক্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।

সূত্র: রয়টার্স

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow