বছরে কতবার পরিষ্কার করা হয় মসজিদে নববী?

মদিনার মসজিদে নববীতে আগত জিয়ারতকারী ও ইবাদতকারীদের জন্য একটি আধ্যাত্মিক এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ইসলামের এই পবিত্র স্থানটির পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের তালিকায় অন্যতম গুরুত্ব পায় এখানকার বিশাল এলাকা জুড়ে বিছানো কার্পেটগুলো। সৌদির জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য টু হোলি মস্ক-এর তথ্য অনুযায়ী, মসজিদে নববীতে প্রতি বছর কার্পেট ধোয়া ও প্রস্তুতির জন্য ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মূলত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলা এক সুসংগঠিত ব্যবস্থার মাধ্যমে এই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হয়। কর্তৃপক্ষ জানায়, পুরো মসজিদ প্রাঙ্গণে বর্তমানে মোট ২৫,০০০ কার্পেট বিছানো রয়েছে। এর মধ্য থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০০টি কার্পেট ধোয়া ও ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হয়। নিখুঁত কার্যপরিকল্পনার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে, প্রতিটি কার্পেট যেন সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে পরিষ্কার ও টেকসই থাকে। মসজিদে নববীতে ব্যবহৃত এই কার্পেটগুলো বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এবং এগুলো সৌদি আরবেই তৈরি। কার্পেটগুলোর বুনন ঘনত্ব এবং স্থায়িত্ব এমনভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে, যেন তা সারা বছর লাখ লাখ মান

বছরে কতবার পরিষ্কার করা হয় মসজিদে নববী?

মদিনার মসজিদে নববীতে আগত জিয়ারতকারী ও ইবাদতকারীদের জন্য একটি আধ্যাত্মিক এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ইসলামের এই পবিত্র স্থানটির পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের তালিকায় অন্যতম গুরুত্ব পায় এখানকার বিশাল এলাকা জুড়ে বিছানো কার্পেটগুলো।

সৌদির জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য টু হোলি মস্ক-এর তথ্য অনুযায়ী, মসজিদে নববীতে প্রতি বছর কার্পেট ধোয়া ও প্রস্তুতির জন্য ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মূলত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলা এক সুসংগঠিত ব্যবস্থার মাধ্যমে এই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, পুরো মসজিদ প্রাঙ্গণে বর্তমানে মোট ২৫,০০০ কার্পেট বিছানো রয়েছে। এর মধ্য থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০০টি কার্পেট ধোয়া ও ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হয়। নিখুঁত কার্যপরিকল্পনার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে, প্রতিটি কার্পেট যেন সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে পরিষ্কার ও টেকসই থাকে।

মসজিদে নববীতে ব্যবহৃত এই কার্পেটগুলো বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এবং এগুলো সৌদি আরবেই তৈরি। কার্পেটগুলোর বুনন ঘনত্ব এবং স্থায়িত্ব এমনভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে, যেন তা সারা বছর লাখ লাখ মানুষের ভিড় ও ব্যবহারের চাপ সহ্য করতে পারে এবং মুসল্লিদের আরামদায়ক অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

মসজিদের মূল মেঝে, ছাদ এবং বাইরের চত্বরে কার্পেটগুলো একটি নির্দিষ্ট সাংগঠনিক পরিকল্পনা অনুযায়ী বিছানো হয়। এর লক্ষ্য হলো মুসল্লিদের চলাচলের পথ মসৃণ রাখা এবং জায়গার সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, যাতে ইবাদত করতে আসা মানুষের কোনো অসুবিধা না হয়।

মসজিদে নববীর সেবার মান বৃদ্ধি এবং প্রতিটি ছোটখাটো বিষয়ের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার অংশ হিসেবেই এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে মুসল্লিদের জন্য ইবাদতের প্রশান্তিময় পরিবেশ সবসময় ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তথ্যসূত্র: আরব নিউজ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow