বছরের প্রথম দিনে রাশিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ড্রোন হামলা

বছরের প্রথম দিনে ইউক্রেনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ সময়ে দুই ডজনের বেশি ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে মস্কো।  শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত সময়ে মস্কোমুখী অন্তত ২৬টি দীর্ঘপাল্লার ড্রোন প্রতিহত করেছে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। টেলিগ্রামে দেওয়া একাধিক বার্তায় সোবিয়ানিন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুক্রবার রাত ১টার মধ্যে এসব ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। তিনি বলেন, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর  পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি। ড্রোন ভেঙে পড়ার স্থানগুলোতে জরুরি সেবাদানকারী দল কাজ করছে। আরটি জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত সতর্কতার অংশ হিসেবে ওই সময়ে মস্কোর দোমোদেদোভো, শেরেমেতিয়েভো, ভনুকোভো ও ঝুকভস্কি বিমানবন্দরে কয়েক দফা ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এর আগের রাতেও মস্কো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছিল, ঠিক সেই সময় যখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষের

বছরের প্রথম দিনে রাশিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ড্রোন হামলা
বছরের প্রথম দিনে ইউক্রেনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ সময়ে দুই ডজনের বেশি ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে মস্কো।  শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত সময়ে মস্কোমুখী অন্তত ২৬টি দীর্ঘপাল্লার ড্রোন প্রতিহত করেছে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। টেলিগ্রামে দেওয়া একাধিক বার্তায় সোবিয়ানিন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুক্রবার রাত ১টার মধ্যে এসব ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। তিনি বলেন, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর  পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি। ড্রোন ভেঙে পড়ার স্থানগুলোতে জরুরি সেবাদানকারী দল কাজ করছে। আরটি জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত সতর্কতার অংশ হিসেবে ওই সময়ে মস্কোর দোমোদেদোভো, শেরেমেতিয়েভো, ভনুকোভো ও ঝুকভস্কি বিমানবন্দরে কয়েক দফা ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এর আগের রাতেও মস্কো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা হয়েছিল, ঠিক সেই সময় যখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষের ভাষণ প্রচারিত হচ্ছিল। এদিকে নববর্ষ উদযাপনের মধ্যেই রাশিয়ার খেরসন অঞ্চলের কৃষ্ণসাগর উপকূলবর্তী খোরলি গ্রামে একটি জমজমাট ক্যাফে ও হোটেলে ভয়াবহ হামলা হয়েছে। ওই হামলায় ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয় এবং এতে অন্তত ২৭ জন নিহত ও ৩০ জনের বেশি আহত হন। রাশিয়ার দাবি, সর্বোচ্চ প্রাণহানির উদ্দেশ্যেই হামলাটির সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং এটি একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’, এমনকি যুদ্ধাপরাধের শামিল। রুশ কর্মকর্তারা এই হামলার তুলনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি বাহিনীর নৃশংসতার সঙ্গে করে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত নিষ্ঠুরতার অভিযোগ এনেছেন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে নিয়মিত ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে বলে দাবি মস্কোর। এসব হামলায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও আবাসিক ভবন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এর জবাবে রাশিয়া ইউক্রেনের সামরিক সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোতে হামলা জোরদার করেছে। মস্কোর দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য কিয়েভের ড্রোন ও অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা দুর্বল করা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow