বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিটের মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ বন্ধ হয়ে যাওয়া ১২৫ মেগাওয়াটের ইউনিটটিতে দৈনিক ৭০০ থেকে ৮০০ টন কয়লার প্রয়োজন হতো। এই ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘পানির পাম্প ড্যামেজ হওয়ার কারণে প্রথম ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। মেরামতের কাজ চলছে। এটি মেরামত শেষ হলে আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে উৎপাদন শুরু হবে।’ বর্তমানে কেন্দ্রটির ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট উৎপাদনে রয়েছে। আর ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে।
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিটের মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে বন্ধ হয়ে যায়।
সর্বশেষ বন্ধ হয়ে যাওয়া ১২৫ মেগাওয়াটের ইউনিটটিতে দৈনিক ৭০০ থেকে ৮০০ টন কয়লার প্রয়োজন হতো। এই ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো।
এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘পানির পাম্প ড্যামেজ হওয়ার কারণে প্রথম ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। মেরামতের কাজ চলছে। এটি মেরামত শেষ হলে আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে উৎপাদন শুরু হবে।’
বর্তমানে কেন্দ্রটির ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট উৎপাদনে রয়েছে। আর ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে।
What's Your Reaction?