‘বন্ধুর সহায়তায়’ আবাসিক হোটেলে গিয়ে যুবকের মৃত্যু, কী ঘটেছিল
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে সুজন দালাল (৩০) নামে দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত মাত্রায় যৌনউত্তেজক ওষুধ সেবনের ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) মধ্যরাতে বন্ধু মারুফ আকনের সঙ্গে বরিশাল নগরীর চকবাজার এলাকার বিউটি রোডের ‘হোটেল নছিব’-এ আসেন সুজন। সেখানে তিনি এক নারীর সঙ্গে সময় কাটাতে একটি কক্ষে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর সুজন তার বন্ধু মারুফকে ফোন করে অসুস্থতার কথা জানান। মারুফ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক সুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সুজন দালাল বরিশাল সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের ভেদুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন বাল্কহেড কর্মচারী এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন। খবর পেয়ে রোববার (১০ মে) সকালে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের বন্ধু মারুফ, হোটেলের ম্যানেজার জাকির এবং অভিযুক্ত নারী লিমাকে আটক করা হয়েছে। নিহতের বড় ভ
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে সুজন দালাল (৩০) নামে দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু হয়েছে।
অতিরিক্ত মাত্রায় যৌনউত্তেজক ওষুধ সেবনের ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) মধ্যরাতে বন্ধু মারুফ আকনের সঙ্গে বরিশাল নগরীর চকবাজার এলাকার বিউটি রোডের ‘হোটেল নছিব’-এ আসেন সুজন। সেখানে তিনি এক নারীর সঙ্গে সময় কাটাতে একটি কক্ষে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর সুজন তার বন্ধু মারুফকে ফোন করে অসুস্থতার কথা জানান। মারুফ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক সুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সুজন দালাল বরিশাল সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের ভেদুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন বাল্কহেড কর্মচারী এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
খবর পেয়ে রোববার (১০ মে) সকালে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের বন্ধু মারুফ, হোটেলের ম্যানেজার জাকির এবং অভিযুক্ত নারী লিমাকে আটক করা হয়েছে।
নিহতের বড় ভাই রুবেল দালালের অভিযোগ, সুজনকে পরিকল্পিতভাবে নেশাজাতীয় বা অতিরিক্ত মাত্রায় যৌনউত্তেজক কিছু খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ আটক তিনজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, সুজনের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতের ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?