বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক-খামারিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে

চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিনসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন ৩ বছরের মধ্যে আড়াই কোটির বেশি কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’: মন্ত্রী গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকার শতভাগ গবাদিপশুকে ক্ষুরা রোগ (এফএমডি) প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনা হবে। ছয় মাস আগে যেসব পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সেগুলোকেও পুনরায় টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। মন্ত্রী বলেন, একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকার ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদার করছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক-খামারিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে

চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে বীজ, সার, গবাদিপশুর ভ্যাকসিনসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারের পক্ষে একবারে সব ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকার শতভাগ গবাদিপশুকে ক্ষুরা রোগ (এফএমডি) প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনা হবে। ছয় মাস আগে যেসব পশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সেগুলোকেও পুনরায় টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, একটি গবাদিপশু মারা গেলে একজন খামারি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকার ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরদার করছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং কেউ বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। বীজ ও ভ্যাকসিন বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। কোথাও অনিয়ম বা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আরও বলেন, দুর্যোগের সময়ে সরকার ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালে তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি পান। তাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। সরকারি সহায়তা বিতরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বা অন্য কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

মতবিনিময় সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আতিয়ার রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আপ্রু মারমা এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow