বরখাস্ত শিক্ষককে দায়িত্বে ফেরার সুযোগ দেওয়া শিক্ষা কর্মকর্তাকে শোকজ

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে ফেরার সুযোগ ও হাজিরা খাতায় সই করার অনুমতি দেওয়ায় পাবনা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাফিয়া আখতার অপুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সই করা এক পত্রে তাকে এ নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে বলা হয়েছে, দড়িভাউডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) জহুরুল ইসলাম ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যাওয়ায় গত ৯ জুন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। অথচ তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অনুমতিতে বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা ও হাজিরা খাতায় সই করছেন। এ ঘটনায় সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে পাঁচ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ৩০ জুন ‘বরখাস্ত হয়েও দায়িত্বে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ। নোটিশের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাফিয়া আখতার অপু বলেন, ‌স্যার (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা) আমাকে এমনি এমনিই অনেক শোকজ করে। এই শোকজটি অন্যায়ভাবে করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আপনি আমাকে কেন

বরখাস্ত শিক্ষককে দায়িত্বে ফেরার সুযোগ দেওয়া শিক্ষা কর্মকর্তাকে শোকজ

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে ফেরার সুযোগ ও হাজিরা খাতায় সই করার অনুমতি দেওয়ায় পাবনা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাফিয়া আখতার অপুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সই করা এক পত্রে তাকে এ নোটিশ দেওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, দড়িভাউডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) জহুরুল ইসলাম ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যাওয়ায় গত ৯ জুন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। অথচ তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অনুমতিতে বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা ও হাজিরা খাতায় সই করছেন। এ ঘটনায় সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে পাঁচ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ৩০ জুন ‘বরখাস্ত হয়েও দায়িত্বে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ।

নোটিশের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাফিয়া আখতার অপু বলেন, ‌স্যার (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা) আমাকে এমনি এমনিই অনেক শোকজ করে। এই শোকজটি অন্যায়ভাবে করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আপনি আমাকে কেন কল দিয়েছেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তিনি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল কবীর বলেন, ‘ওই শিক্ষা কর্মকর্তা এ ধরনের অনুমতি দিতে পারেন না। সেক্ষেত্রে তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। তার ব্যাখ্যা জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আলমগীর হোসাইন নাবিল/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow