বরগুনা গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ড: বিদ্যুৎহীন প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক

বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকায় অবস্থিত গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। আগুনে সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাবস্টেশনটিতে হঠাৎ বিকট শব্দের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। যদিও আগুনের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট, তবুও এতে ৬ নম্বর ফিডারসহ অন্যান্য ফিডারের সংযোগ, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক তার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।স্থানীয় সূত্র ও বরগুনা জোনাল অফিস জানায়, খেজুরতলা গ্রিড সাবস্টেশনের মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের পর পুরো সিস্টেমের বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, "আমরা রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ বিকট একটি শব্দের সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে গি

বরগুনা গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ড: বিদ্যুৎহীন প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক

বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকায় অবস্থিত গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। আগুনে সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাবস্টেশনটিতে হঠাৎ বিকট শব্দের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। যদিও আগুনের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ১ থেকে ২ মিনিট, তবুও এতে ৬ নম্বর ফিডারসহ অন্যান্য ফিডারের সংযোগ, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক তার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র ও বরগুনা জোনাল অফিস জানায়, খেজুরতলা গ্রিড সাবস্টেশনের মাধ্যমে বরগুনা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের পর পুরো সিস্টেমের বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, "আমরা রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ বিকট একটি শব্দের সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণের কারণে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।" তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্রাংশ পটুয়াখালী থেকে এনে স্থাপন করতে হবে। সব যন্ত্রাংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, "রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা সম্ভব না হলেও আগামী মঙ্গলবার সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।" অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, "এ মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ কারিগরি ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে।"

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow