বরগুনায় হামে আক্রান্ত দুই শতাধিক, মৃত্যু ৩
সারা দেশের ন্যায় বরগুনাতেও ছড়িয়ে পড়েছে হামের প্রাদুর্ভাব। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা দুই শতাধিক ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে জেলায় এখন পর্যন্ত ২২১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সর্বোচ্চ ১৯৬ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়া পাথরঘাটায় ৬ জন, তালতলীতে ৮ জন, বামনায় ৩ জন এবং বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জনসহ অন্যান্য হাসপাতালে ৬ জন ভর্তি হয়েছেন। গত ৭ এপ্রিল সিভিল সার্জন কার্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলায় তিনজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে, যার মধ্যে পাথরঘাটা উপজেলায় একজন এবং সদর উপজেলায় দুইজন রয়েছেন। স্বস্তির খবর হলো, আক্রান্তদের মধ্যে ১৭৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সরেজমিনে বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে শিশুদের পাশাপাশি কিছু বয়স্ক রোগীকেও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। পরিস্থিত
সারা দেশের ন্যায় বরগুনাতেও ছড়িয়ে পড়েছে হামের প্রাদুর্ভাব। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা দুই শতাধিক ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে জেলায় এখন পর্যন্ত ২২১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সর্বোচ্চ ১৯৬ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়া পাথরঘাটায় ৬ জন, তালতলীতে ৮ জন, বামনায় ৩ জন এবং বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জনসহ অন্যান্য হাসপাতালে ৬ জন ভর্তি হয়েছেন।
গত ৭ এপ্রিল সিভিল সার্জন কার্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলায় তিনজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে, যার মধ্যে পাথরঘাটা উপজেলায় একজন এবং সদর উপজেলায় দুইজন রয়েছেন।
স্বস্তির খবর হলো, আক্রান্তদের মধ্যে ১৭৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সরেজমিনে বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে শিশুদের পাশাপাশি কিছু বয়স্ক রোগীকেও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, হামের ভাইরাস বায়ুবাহিত হওয়ায় সংক্রমণ দ্রুত ছড়ায়। তাই আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাসপাতালের নির্ধারিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। জেলায় ২৭ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, ইতোমধ্যে ১৫ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে।
উপসর্গ দেখা মাত্রই দেরি না করে আক্রান্তদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে আসা এবং আইসোলেশনে রাখার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মকর্তা। সঠিক সময়ে চিকিৎসা ও সচেতনতাই এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে মূল ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।
What's Your Reaction?